বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য যে সকল আইন রয়েছে তা সরকারকে বাস্তবায়ন করতে হবে। একইসাথে অভিবাসী শ্রমিকদের বিপদ থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব নিতে সরকার এবং রাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানান সংসদ সদস্য শিরিন আক্তার।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে কর্মজীবী নারী আয়োজিত ‘সেফ অ্যান্ড ফেয়ার মাইগ্রেশন ফ্রম দা পার্সপেক্টিভ অফ উইমেন মাইগ্র্যান্ট গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিরিন আক্তার বলেন, ‘আমরা নারীদের দেশের বাইরে পাঠাচ্ছি। যে দেশে পাঠাচ্ছি নারীদের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন, আচরণ কেমন তা আমাদের জানতে হবে। মনে রাখতে হবে, যে দেশে যাচ্ছি সেই দেশের মানুষের আচরণ আমাদের দেশের মানুষের আচরণের মতো আশা করা কিন্তু ঠিক হবে না’।
এই সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘আমাদের নারী অভিবাসী কর্মীরা বাইরে ঠিকভাবে যাচ্ছে কিনা, সেটা দেখার জন্য এয়ারপোর্ট পর্যন্ত হলেও তাকে নজরদারি করতে হবে। বিদেশে যেখানে যাচ্ছে, সেখানে আমাদের যে দূতাবাস আছে তার মাধ্যমে শ্রমিকদের বিষয়ে জানার একটা ব্যবস্থা রাখতে হবে’।
তিনি উল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি তিনটি খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এগুলো হচ্ছে অভিবাসী শ্রমিক, কৃষি ও পোশাক শিল্প। এই তিনটি জায়গা থেকে প্রধানত আমাদের আয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়’।
সমাজে নারীদের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সংসদ সদস্য শিরিন আক্তার বলেন, পুরুষ ও নারী কিন্তু প্রকৃতিগতভাবে আলাদা। সমাজে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা আছে। যে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে একটা সংকীর্ণতা কাজ করে। যে কারণে আমরা দেখছি সারা বিশ্বে যৌন নির্যাতন, হয়রানি, অশ্লীল আচরণ বেড়ে গেছে।
কর্মজীবী নারীর সভাপতি ড. প্রতিমা পাল মজুমদার এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন, ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সিনিয়র ম্যানেজার ফরাদ আল করিম এবং কর্মজীবী নারী’র ডিরেক্টর রাহেলা রাব্বানী প্রমুখ ।
