জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সামরিক আইনে (মার্শাল ল) ট্রাইব্যুনালে সেনা ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের বিচারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। গতকাল রবিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ওই বিচারে ক্ষতিগ্রস্ত সেনা ও বিমানবাহিনীর ৮৮টি পরিবারের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মতিউর রহমান রিট আবেদনটি করেন।
তিনি বলেন, ‘১৯৭৭ সালের ১৪ অক্টোবর সামরিক ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। কিন্তু এর কয়েক দিন আগেই বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ তুলে সেনা ও বিমানবাহিনীর অনেক সদস্যকে বিচারের নামে ফাঁসি দেওয়া হয়। কাউকে ফায়ারিং স্কোয়াড ও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। এ বিষয়টিকে আমরা চ্যালেঞ্জ করেছি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ও তাদের পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন চেয়েছি।’
বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে কার্যতালিকায় এলে এর ওপর শুনানি হবে বলে জানান তিনি।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট একদল বিপদগামী সেনাসদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে ক্ষমতায় বসেন তখনকার শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান। পরে ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে নিজের সামরিক শাসনামলের সব কার্যক্রমকে বৈধতা দেন তিনি। ২০০৫ সালে হাইকোর্ট এক রায়ে পঞ্চম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
