নুসরাত হত্যা : পুলিশ-সাংবাদিকের পাল্টাপাল্টি জিডি

আপডেট : ০২ মে ২০১৯, ০৮:২৮ পিএম

ফেনীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ-সাংবাদিক পাল্টাপাল্টি জিডি করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশি, হয়রানি ও নিরাপত্তা চেয়ে ফেনী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন সময় টিভির ফেনী ব্যুরো অফিস প্রতিবেদক মো. আতিয়ার হাওলাদার সজল।

এর আগে ১৪ এপ্রিল সজলের বিরুদ্ধে সোনাগাজী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ওই থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন।

সাধারণ ডায়েরিতে আতিয়ার সজল উল্লেখ করেন, ‘১৪ এপ্রিল সোনাগাজী মডেল থানায় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে ওই থানার তৎকালীন ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন সম্পূর্ণ অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রসূত অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।’

‘প্রকৃত সত্য হলো, ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার কেন্দ্রে নুসরাতকে অগ্নিদগ্ধ করার পর সোনাগাজী মডেল থানায় আমিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা একাধিকবার যায়। ৮ এপ্রিল ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের বক্তব্য নিতে চাইলে নুসরাতের হত্যাকাণ্ড আত্মহত্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়ে আগবাড়িয়ে পূর্বের ধারণ করা দুটি ভিডিও দেখান। পরে ওই ভিডিও টেলিভিশনে দেখানোর অনুমতি নিয়ে ওই দিন দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১ মধ্যে ওসি মোয়াজ্জেমের কাছ থেকে ভিডিও সংগ্রহ করি।’

‘সেদিন রাত নয়টায় নুসরাতের চেহারা ঝাপসা করে ভিডিও দুটি সময় টেলিভিশনে প্রচারও করে। ওই ভিডিও আমি কাউকে সরবরাহ করিনি, এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করিনি। আর অজ্ঞাতসারে ভিডিও নেওয়ার বিষয়টিও সত্য নয়।’

অন্যদিকে ১৪ এপ্রিল সোনাগাজী মডেল থানায় নিজের মোবাইল থেকে দুটি ভিডিও অজ্ঞাতসারে স্থানান্তরের অভিযোগ করেছেন সোনাগাজী মডেল থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন।

জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অফিসে মোবাইল ফোন রেখে আমি ওয়াশরুম ও নামাযের জন্য বের হই। এ সুযোগে জনৈক সজল তার মোবাইল ফোনে ভিডিওটি নিয়ে যায়। যা আমার মোবাইল হিস্টরির মাধ্যমে জানতে পারি। এটা পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।’

তাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমনটি করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত