কারিনাকে সাইফের সঙ্গে দেখে কষ্ট পেতেন শহিদ

আপডেট : ১১ মে ২০১৯, ১০:২৫ এএম

বলিউডে এক সময়ে বহু চর্চিত বিষয় ছিল শহিদ ও কারিনা কাপুরের প্রেম। একে অপরের প্রতি ভালোবাসার কথা কোনোদিনই লুকানোর চেষ্টা করেননি কেউ। এমনকি শহিদের জন্য মাছ-মাংস ছেড়ে নিরামিষাশীও হয়ে গিয়েছিলেন 'ফুডি' কারিনা।

বিয়ের কথাবার্তাও চলছিল তাদের। তবে হঠাৎই সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। 'জব উই মেট'-এর শ্যুটিং চলাকালীনই একে অপরের জীবন থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে তাদের মধ্যে ঠিক কী নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছিল তা নিয়ে অবশ্য মুখে কুলুপ এটেঁছিলেন দুজনেই।

যদিও শহিদ-কারিনার সম্পর্ক ভাঙার পেছনে শোনা যায় অনেক কথাই। কেউ বলেন সহঅভিনেত্রী অমৃতা রাওয়ের সঙ্গে শহিদের ঘনিষ্ঠতা মেনে নিতে পারেননি নায়িকা।

অন্যদিকে কারিনার অত্যাধিক ধরে-বেঁধে রাখা পছন্দ হচ্ছিল না শহিদের। শহিদ-কারিনার এই দূরত্বের ফাঁকে ঢুকে পড়েছিলেন সাইফ আলি খান। এইরকমই তাদের সম্পর্ক ভাঙার কারণ হিসেবে  শোনা যায় অনেক কথাই।

যদিও বর্তমানে শহিদ ও কারিনা দুজনেই তাদের ব্যক্তিগত জীবনে অনেক সুখী।

সে যাই হোক সম্পর্ক ভাঙার পর 'প্রাক্তন' কারিনাকে সাইফের সঙ্গে দেখে কি কষ্ট পেয়েছিলেন শহিদ?

সম্প্রতি শহিদের দেওয়া পুরনো একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে শহিদকে বলতে শোনা গেছে, “আমি যদি বলি আমার কিছুই যায় আসেনি, তাহলে মিথ্যা বলা হবে। আদপে আমিও তো মানুষ। কারিনাকে সাইফে সঙ্গে দেখে বা এ ধরনের খবরে আমারও কষ্ট হয়েছিল। যদিও তখন আমার কিছু করার ছিল না। আমাকে বস্তবের সঙ্গে মানিয়ে নিতেই হতো। এর মুখোমুখি হতেই হতো। আমি শুধুই ভালো স্মৃতিগুলোই মনে রাখতে পারি এবং ভালো থাকার চেষ্টা করতে পারি।”

আরও একটি সাক্ষাৎকারে শহিদ জানিয়েছিলেন, “টানা একটি মাস ভীষণ কষ্টের মধ্যে কেটেছিল। আমার কাছে দুটোই অপশন ছিল। এসব থেকে বেরিয়ে আসা। আর মিডিয়ার সামনে এসব নিয়ে কোনো কথা না বলা। এ সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে আমার যে কষ্ট হতো সেটা এড়িয়ে চলার জন্য শুধুমাত্র সিনেমার (জব উই মেট) প্রচারে মন দেওয়া। যখন এটা ঘটেছিল তার তিন সপ্তাহের মধ্যে ছবিটি (জব উই মেট) মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।”

আরও একটি সাক্ষাৎকারে শহিদ বলেন, “'আমাদের সম্পর্ক ভাঙার বিষয়টা প্রকাশ্য বলার কিছু নয়, এটা একান্তই দুইজন ব্যক্তির বিষয়। সকলের এটা নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকলেও কিছু করার নেই।”

শহিদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে কারিনা এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ''আমাদের সম্পর্কটা হয়ত সেই পর্যায়ে ছিল না। এটা এক্কেবারেই আমার কেরিয়ারের শুরু দিকের ঘটনা। একটা ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়ে আমরা একে অপরের প্রেমে পড়ি।”

সম্পর্ক ভাঙার পর একসঙ্গে কাজ করাটা কি অস্বস্তিকর ছিল? এ প্রশ্নের উত্তরে কারিনা বলেছিলেন, “এ ধরনের একটা অস্বস্তিকর মানসিক অবস্থার মধ্যে শ্যুটিং করা সত্যিই কঠিন তবে কাজটা কাজই সেখানে ব্যক্তিগত জীবনের প্রভাব পড়া উচিত নয়। কাজের মধ্যে এ নিয়ে কোনো কথা কেউই বলতেন না।”

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত