রেলের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ২২ মে

আপডেট : ১৮ মে ২০১৯, ০৩:০১ এএম

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীদের বিশেষ সেবা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ রেলওয়ে। নিরাপত্তা থেকে শুরু করে পর্যাপ্ত আসন, যাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাত্রাসেবা দিতে প্রতিটি রুটে আলাদাভাবে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা রেখেছে রেল কর্র্তৃপক্ষ। গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা অঞ্চলের রেল বিভাগের সিনিয়র পরিদর্শক রেজাউল করিম জাহাঙ্গীর দেশ রূপান্তরকে এসব জানান।

তিনি বলেন, ‘প্রতিবারই যাত্রীদের সেবা শুরু ২২ মে দিতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। এবারও কমতি নেই। ২২ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। আর ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ২৯ মে। চলবে ২ জুন পর্যন্ত। ৫০ ভাগ টিকিট অনলাইনে রেলসেবা অ্যাপস থেকে যাত্রীরা ঘরে বসেই কাটতে পারবেন। তা ছাড়া যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে ঢাকার বিভিন্ন রেল স্টেশনে অঞ্চলভিত্তিক অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কমলাপুর, বিমানবন্দর, তেজগাঁও, বনানী ও ফুলবাড়িয়া থেকে যাত্রীরা বিভিন্ন রুটের টিকিট কাটতে পারবেন। বিমানবন্দরে নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হবে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেওয়া হবে পশ্চিম অঞ্চলের সব টিকিট, বনানীতে দেওয়া হবে নেত্রকোনাগামী যাত্রীদের টিকিট। সিলেট এবং কিশোরগঞ্জগামী যাত্রীদের অগ্রিম টিকিট দেওয়া হবে ফুলবাড়িয়া থেকে।’

রেল কর্মকর্তা রেজাউল আরও বলেন, ‘ঈদে যেহেতু রেলপথে যাত্রীদের চাপ থাকে তাই এবারও আটটি আলাদা বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সেগুলো ২ জুন থেকে চলা শুরু করবে। একই সঙ্গে ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনের সঙ্গে নতুন একাধিক কোচ সংযোজন করা হবে।’

যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তার প্রতি সব সময়ই জোর দিয়ে থাকি। এবারও ঈদকে সামনে রেখে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রেলওয়ের নিরাপত্তা বাহিনী থেকে শুরু করে র‌্যাব, পুলিশ, আনসার ও বিজিবি সক্রিয় থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘টিকিট কালোবাজারি রোধে কমলাপুর, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, বিমানবন্দর, জয়দেবপুর, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, সিলেট, রাজশাহী, খুলনাসহ বড় স্টেশনগুলোতে জিআরপি, আরএনবি, বিজিবি, পুলিশ এবং র‌্যাব নিয়োজিত থাকবে। তা ছাড়া জেলা প্রশাসকদের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’

যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের সুবিধার্থে ঈদের আগে পণ্যবাহী কন্টেইনার ট্রেনগুলো বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া চলাচল করতে দেওয়া হবে না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘অগ্রিম টিকিট সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সংগ্রহ করা যাবে। আশা করা হচ্ছে, প্রতিদিন প্রায় ৩০ হাজার যাত্রী রেলপথে যাতায়াত করতে পারবেন।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত