আগামী ২৩ মে থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টের নির্বাচন। ইউরোপের প্রায় ৪ কোটি মানুষ ইইউ পার্লামেন্টে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন ২৬ মে পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই একে একে ইউরোপের জনপ্রিয় দলগুলো বিভিন্ন কেলেঙ্কারিতে ফেঁসে যাচ্ছে।
অস্ট্রিয়াতে এক ভিডিও কেলেঙ্কারিতে দেশটির ডানপন্থি ভাইস চ্যান্সেলর হেইঞ্জ ইতোমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন। তার পদত্যাগের পর দেশটির ডানপন্থি সরকারও একই পথে হাঁটার ঘোষণা দিয়েছে। ব্রিটেনের ব্রেক্সিট পার্টি নেতা নাইজেল ফারাজে হেইঞ্জের অর্থের উৎস জানতে চেয়ে প্রশ্ন করেছেন।
ফ্রান্সের ডানপন্থি নেতা মেরিন লি পেন তার বিরুদ্ধে দেশটির বামপন্থিরা অভিযোগ করেছেন, মেরিনের নির্বাচনী প্রচারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক উপদেষ্টা স্টিভ ব্যাননের ভূমিকা ছিল। ইতালির কট্টরপন্থি মাত্তেও সালভিনির বিরুদ্ধেও কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে। যদিও দুর্নীতিবিষয়ক এই কেলেঙ্কারির অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেছেন। এদিকে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল গত সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভোটারদের ‘জাতীয়তাবাদী’ রাজনীতিকে ভোটের মাধ্যমে বয়কটের আহ্বান জানান।
এবারের পার্লামেন্ট নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী, ইউরোসেপটিক এবং ডানপন্থি দলগুলো নিজেদের অবস্থান আগের তুলনায় শক্তিশালী করতে চাচ্ছে।
