রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

বালিশ দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত করবে আইএমইডি

আপডেট : ২২ মে ২০১৯, ১২:৪৮ এএম

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের থাকার ভবনের আসবাবপত্র, বালিশ কেনা ও ফ্ল্যাটে তোলা নিয়ে অস্বাভাবিক ব্যয়ের যে অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্ত করবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মূল্যায়ন পরিবীক্ষণ ও বাস্তবায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এনইসির সভা শেষে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী

এম এ মান্নান। এর আগে এনইসির সভায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার ব্যয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দেওয়া হয়।

এডিপির আকার তুলে ধরার সময় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘ইতোমধ্যে এ বিষয়ে দুটি কমিটি হয়েছে। তারপরও আমার আইএমইডি যেহেতু আছে, আমার দায়িত্বও আছে। আমি আইএমইডিকে নির্দেশ দেব, তারা তাদের পক্ষ থেকে আমাকে একটা ফিডব্যাক দেবেন। এই ফিডব্যাক পাওয়ার পর আমি সে তথ্য প্রধানমন্ত্রী বা ওই মন্ত্রণালয়কে জানাব।’

তিনি বলেন, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্রিন টিসি হাউজিং প্রকল্পের বিষয়টি নজরে এসেছে। এটা দেখে আমি এক্সসাইটেড। প্রকল্পে তিন টাকার বালিশ তুলতে পাঁচ টাকা লাগল কেন? বিষয়টি তদন্ত করতে রূপপুরে পরিকল্পনা বিভাগের আইএমইডি টিম পাঠানো হবে।’

সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পটির অনিয়ম নিয়ে গত ১৬ মে দৈনিক দেশ রূপান্তরে ‘কেনা-তোলায় এত ঝাঁজ’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর তা নিয়ে সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকেও বিস্তারিত খোঁজ-খবর নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ মে উচ্চপর্যায়ের পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং গণপূর্ত অধিদপ্তর; যাদের সাত কার্যদিবসে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। এর মধ্যে এর দাম বাবদ ৫ হাজার ৯৫৭ টাকা আর সেই বালিশ নিচ থেকে ফ্ল্যাটে ওঠাতে খরচ ৭৬০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি টাকায় আকাশসমান দামে এসব আসবাবপত্র কেনার পর তা ভবনের বিভিন্ন ফ্ল্যাটে তুলতে অস্বাভাবিক হারে অর্থ ব্যয়ের এ ঘটনা ঘটিয়েছেন পাবনা গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তারা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত