বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে একমাত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এম এ রশীদ। তিনি বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি। আজ বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে টিকে গেলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারেন নৌকার প্রার্থী এমএ রশীদ।
গত মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন বন্দর উপজেলায় সহকারী রিটার্নিং অফিসার পিন্টু বেপারির কার্যালয়ে তারা মনোনয়নপত্র জমা দেন। এ সময় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ এ কে এম শামীম ওসমানসহ জেলা, মহানগর ও থানা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বন্দর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন মদনপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এম এ সালাম এবং মেয়র আইভীর ঘনিষ্ঠ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম আবু সুফিয়ান। এ ছাড়া বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আতাউর রহমান মুকুল, জাতীয় পার্টি থেকে কলাগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান শক্তিশালী প্রার্থী ছিলেন। ১৯ মে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এম এ রশীদকে নৌকা প্রতীক দেয়। রশীদ নৌকা প্রতীক পাওয়ার পর রাতারাতি পাল্টে যায় দৃশ্যপট। স্থানীয় জাতীয় পার্টির সাংসদ সেলিম ওসমান ওই রাতেই অভিনন্দন জানান নৌকার প্রার্থীকে। কিছুদিন আগেও বিএনপি নেতা আতাউর রহমান মুকুল দেশ রূপান্তরের কাছে নির্বাচন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। তিনিও হঠাৎ ঘোষণা দেন নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার। এরই মধ্যে থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক (বহিষ্কৃত) খুরশীদ আলম সাগর বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছেন বলে চাউর হলেও শেষমেশ পিছু হটেন। ফলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আর কোনো প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ায় একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন নৌকার প্রার্থী এম এ রশীদ।
