দুস্থদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল নয়-ছয়ের অভিযোগে রংপুর সদরের ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও ব্যবসায়ী আনছারুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। বুধবার রাতে সদরের কয়েক জায়গায় অভিযান চালিয়ে কমপক্ষে ৬০০ বস্তা চাল উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রংপুর সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাসুদার রহমান মিলন জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থদের জন্য সরকার থেকে জনপ্রতি ১৫ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। সদর উপজেলার সদ্যপুস্করণী ইউনিয়নের প্রায় ৬ হাজার ৩শ’ জন সুবিধাভোগীর মাঝে বিতরণের জন্য গত মঙ্গলবার ৩ হাজার ১৪৫ বস্তা চাল ইউনিয়ন পরিষদে আনা হয়।
বুধবার ওই এলাকায় চাল বিতরণ শেষে ৬০/৭০ জন কার্ডধারী নারী চাল না পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। চাল বিতরণ শেষ হয়েছে জানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান পরবর্তীতে তাদেরকে চাল প্রদানের আশ্বাস দেন।
এদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে আসে। বুধবার রাতে ২১ বস্তা চাল স্টেশন এলাকায় নিয়ে যাবার সময় নগরীর দর্শণা থেকে অটোচালকসহ ওই চালগুলো আটক করে তাজহাট থানা পুলিশ।
মাসুদার রহমান মিলন আরও জানান, এদিকে রাতেই চাল উদ্ধারে অভিযানে নামে র্যাব। রাত থেকে পালিচড়া বাজারের একাধিক গোডাউনে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬ শতাধিক চালের বস্তা উদ্ধার করা হয়েছে। এসব চাল কালোবাজারে বিক্রির জন্য মজুদ করা হয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন।
এদিকে ঘটনাস্থল থেকে র্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা ও ব্যবসায়ী আনছারুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল রানা র্যাব হেফাজতে থাকায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। চেয়ারম্যান সোহেল রানার শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
