রেকর্ড সংগ্রহে শুরু টাইগারদের বিশ্বকাপ

আপডেট : ০২ জুন ২০১৯, ০৭:২৩ পিএম

বিশ্বকাপে উড়ন্ত শুরুর বার্তা দিল বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাটিং করতে নেমে গড়ল একাধিক রেকর্ড। এবারের আসরে সর্বোচ্চ সংগ্রহ তো হলোই। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ ও ওয়ানডেতে নিজেদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানের পুঁজি পেল টাইগাররা।

রোববার ওভালে টস হেরে আগে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩৩১ রানের লক্ষ্য দিয়েছে টাইগাররা। নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে ৩৩০ রানের পুঁজি গড়ে বাংলাদেশ।

দক্ষিণ আফ্রিকাকে এই ম্যাচ জিততে হলে গড়তে হরে রেকর্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসেই এত রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই। ২০১১ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২৯ রান করেছিল আয়ারল্যান্ড।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৩২২। ২০১৫ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে পরে ব্যাট করে করেছিল সেটি। আগে ব্যাট করে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭ উইকেটে ২৮৮। গেল বিশ্বকাপেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেই পুঁজি পেয়েছিল টাইগাররা। আর ওয়ানডেতে বাংলাদেশের আগের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ৩২৯। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঢাকায় সেই পুঁজি গড়ে বাংলাদেশ।

এদিন বাংলাদেশ বড় রানের ভিত পায় সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের তৃতীয় উইকেট জুটিতে। সত্তরোর্ধ্ব ইনিংস খেলেছে দুজনই। তৃতীয় উইকেটে যোগ করেন ১৪২ রান। বিশ্বকাপে যা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটি।
আগের সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ডটি ছিল মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকুর রহিমের। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪১ রানের জুটি গড়েছিলেন দুজন।

সাকিবের ব্যাট থেকে আসে ৭৫ রান। তার ৮৪ বলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ১ ছক্কা। মুশফিকের ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৭৮। ৮০ বলে ৮ চারে নিজের ইনিংস সাজান তিনি।

সাকিব ও মুশফিক বড় ভিত্তি দিয়ে ফেরার পর বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। ৩৩ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৪৬ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এ ছাড়া মোসাদ্দেক ২০ বলে ২৬ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন। মিঠুনের ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ২১। ওপেনিংকে সৌম্য সরকার খেলেছিলেন ৩০ বলে ৪২ রানের দারুণ এই ইনিংস। 

তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার উদ্বোধনী জুটিতে দারুণ শুরু এনে দেন দলকে। ৮.২ ওভারে দুজন স্কোর বোর্ডে যোগ করেন ৬০ রান। চোট শঙ্কা কাটিয়ে খেলতে নামা তামিম ১৬ রান করে ফেরেন। ২৯ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার। আন্দিলে ফেলুকোয়ায়োর বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ হন এই ড্যাশিং ওপেনার।

১৫ রানের ব্যবধানে ফেরেন দারুণ খেলতে থাকা সৌম্য। ৯ চারে নিজের ইনিংস সাজান তিনি। তার উইকেটটি নিয়েছেন ক্রিস মরিস। এরপর সাকিব-মুশফিক জুটিতে এগোতে থাকে বাংলাদেশের।

৩২তম ওভারে ইমরান তাহিরের বলে সাকিব বোল্ড হলে এই জুটির পতন হয়। এরপর মোহাম্মদ মিঠুন সঙ্গে জুটি বাঁধেন মুশফিক। চার নম্বরে ২৫ রান করেন দুজন। 

তবে আট রানের ব্যবধানে এই দুজন ফিরেছেন। দারুণ শুরু পাওয়া মিঠুন ইমরান তাহিরের বলে কাটা পড়েন। দলের স্কোর আড়াই শ পূরণ হতেই ফেরেন মুশফিক। ফেলুকোয়ায়োর বলে রাসি ফন ডার ডাসেনকে ক্যাচ দেন মুশফিক। শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশ যোগ করে ৮৬ রান।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত