নেইমারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন ব্রাজিলের এক নারী। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এ ফুটবল তারকা। ইনস্টাগ্রামে এক ভিডিও প্রকাশ করে তিনি দাবি করেন, তাকে ফাঁদে ফেলতেই পরিকল্পনা করে এমন অভিযোগ তোলা হয়েছে।
সাও পাওলোর পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, পিএসজির হয়ে খেলার সময় প্যারিসের একটি হোটেলে হঠাৎ ওই নারীকে ‘আক্রমণ’ করেন নেইমার। ওই নারী দাবি করেন, তাকে ধর্ষণ করেছেন ব্রাজিলের এই ফুটবলার।
ভুক্তভোগী নারীর নাম প্রকাশ না করে পুলিশ জানায়, নেইমারের সঙ্গে তার ইনস্টাগ্রামে পরিচয় হয়। তখন নেইমার তাকে প্যারিসে দেখা করতে বলেন। শুধু তাই নয়; ব্রাজিল তারকা ওই নারীর জন্য ব্রাজিল-টু-ফ্রান্সের একটি বিমান টিকিট কাটেন। হোটেলের জন্য বুকিংও দিয়ে রাখেন।
নারীর অভিযোগ, ১৫ মে নেইমার মাতাল অবস্থায় হোটেলে যান। আলাপের এক পর্যায়ে নেইমার আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। নারীর আপত্তি উপেক্ষা করে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন।
ওই নারী দুই দিন বাদে ব্রাজিলে ফিরে যান। নিরাপত্তাহীনতার কারণে ভিন্ন দেশের পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে সাহস পাননি তিনি।
এ অভিযোগ অস্বীকার করে ভিডিওতে নেইমার যুক্ত করেন, এই বছরের মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত ওই নারীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে তার খুদে বার্তা আদান-প্রদানের ছবি।
পিএসজি তারকা নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “ওই নারীর সঙ্গে আমার যেসব কথাবার্তা আদান-প্রদান হয়েছে, তার পুরোটাই আমি শেয়ার করছি। আমাদের দুইজনের মধ্যে কী ঘটেছে সেটি প্রকাশ্যে আনা জরুরি। এ কারণেই এই ভিডিওটি আমি শেয়ার করলাম।”
তিনি বলেন, “চার দেয়ালের ভেতরে নারী-পুরুষের মধ্যে যে সম্পর্ক হওয়ার কথা, আমাদের মধ্যে সেটিই ঘটেছে। ঘটনার পরের দিনও আমরা একে অপরকে বার্তা পাঠিয়েছি।”
ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় মর্মাহত বলে নেইমার জানান। তিনি বলেন, “ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগে আমি বিস্মিত হয়েছি। এমন অভিযোগ ওঠা সত্যিই কষ্টের। যারা আমাকে চেনেন তারা আমার চরিত্র সম্পর্কে জানেন। আমার দ্বারা এমন কিছু সম্ভব না, এটাও জানেন তারা।”
এরপরই নেইমার বলেন, “এটা পুরোটাই একটা ফাঁদ ছিল এবং আমি সেই ফাঁদে পা দিয়েছি। তবে এই ঘটনা আমার ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা হয়ে থাকবে।”
নেইমার এখন কোপা আমেরিকার জন্য প্রস্তুতি নিতে ব্রাজিল দলের সঙ্গে আছেন।
