আইন ও বিচার বিভাগ বরাদ্দ বাড়ছে ৪.৭৫ শতাংশ

আপডেট : ১৪ জুন ২০১৯, ০২:৫৬ এএম

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য ১ হাজার ৬৫২ কোটি ২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ১ হাজার ১৯৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। আর উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৫৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ বিভাগে বরাদ্দ ছিল ১ হাজার ৫৭৭ কোটি ৭৫ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। এবার আইন ও বিচার বিভাগে বাজেট বেড়েছে ৭৫ কোটি টাকা বা ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

বাজেট বক্তব্যে বলা হয়েছে, বিচারকাজকে গতিশীল করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালতকে আইসিটি নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে। এ ছাড়া সাতটি বিভাগীয় শহরে সাতটি সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল

 

 

স্থাপন, সব আদালতের কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনা, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে চারটি ও হাইকোর্ট বিভাগে ৩০টি এজলাসসহ চেম্বার নির্মাণ করা এবং অধস্তন আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়সহ বিস্তারিত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে আইন ও বিচার বিভাগ সচিবালয়ের পরিচালনার জন্য ১১০ কোটি ৫১ লাখ ৮৮ হাজার ও উন্নয়ন খাতে ৪৫৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের জন্য ৩০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সারা দেশের মেট্রোপলিটন ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জন্য ২৭৩ কোটি ৮২ লাখ ৬৮ হাজার টাকা এবং দেওয়ানি ও দায়রা আদালতগুলোর জন্য ৪৫৫ কোটি ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আর বিশেষ আদালত ও ট্রাইব্যুনালের জন্য ১১৩ কোটি ২৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। নিবন্ধন পরিদপ্তরের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২১৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের জন্য এবার ১৯৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এই বরাদ্দ ছিল ২১৩ কোটি ৯৪ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।

বাজেট বক্তব্যে বলা হয়, মামলা ব্যবস্থাপনায় আরও গতিশীলতা আনার জন্য ই-জুডিশিয়ারি কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের সব আদালতকে তথ্যপ্রযুক্তির নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের অধীনে সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করার জন্য ঢাকায় একটি সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল রয়েছে। পাশাপাশি সাতটি বিভাগীয় শহরে আরও সাতটি সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।

এ ছাড়া আপিল বিভাগের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আপিল বিভাগে চারটি ও হাইকোর্ট বিভাগে ৩০টি এজলাসসহ চেম্বার নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টসহ অধস্তন আদালতগুলোর সব কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনার পাশাপাশি অধস্তন আদালতে বিচারাধীন মামলার বর্তমান অবস্থা, শুনানির তারিখ ও পূর্ণাঙ্গ রায় নিয়মিতভাবে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত