মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, দেশে বর্তমানে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮২৪ জন গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। গতকাল সংসদে প্রশ্নোত্তরপর্বে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি জানান, বৈধ মুক্তিযোদ্ধাদের অনুকূলে স্থায়ী অর্থাৎ ডিজিটাল সনদ প্রদানের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। অচিরেই দেশব্যাপী একযোগে ডিজিটাল সনদ দেওয়া হবে।
মন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৭ হাজার ১৭, কুমিল্লায় ৭ হাজার ১৮৭, চাঁদপুরে ৩ হাজার ৫১০, নোয়াখালীতে ৪ হাজার ৩৭২, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭ হাজার ৯, ফেনীতে ২ হাজার ৪৫২, লক্ষ্মীপুরে ১ হাজার ৬১৯, রাঙ্গামাটিতে ১১১, বান্দরবানে ৭০, খাগড়াছড়িতে ৬৭৫, কক্সবাজারে ৩৫২ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। ঢাকায় ৩ হাজার ৮৪৬, টাঙ্গাইলে ৬ হাজার ৮৯৫, ফরিদপুরে ৬ হাজার ৮০৩, নরসিংদীতে ৪ হাজার ৮১, গোপালগঞ্জে ৫ হাজার ৪২৩, মুন্সীগঞ্জে ২ হাজার ২২৩, নারায়ণগঞ্জে ১ হাজার ৮৯৬, মাদারীপুরে ২ হাজার ২১৭, কিশোরগঞ্জে ৩ হাজার ৭৫৫, গাজীপুরে ২ হাজার ৯৮২, শরীয়তপুরে ২ হাজার ২০০, রাজবাড়ীতে ১ হাজার ৫৭ ও মানিকগঞ্জে ১ হাজার ৮৬৭ জন।
ময়মনসিংহে ৫ হাজার ৬১১, জামালপুরে ২ হাজার ৮৮৯, শেরপুরে ১ হাজার ৩৪৪, নেত্রকোনায় ৩ হাজার ৬৩, খুলনায় ৪ হাজার ৯২, বাগেরহাটে ৪ হাজার ৯৩, নড়াইলে ২ হাজার ১৩৮, সাতক্ষীরায় ২ হাজার ৩১৪, যশোরে ২ হাজার ৮৪৬, কুষ্টিয়ায় ৩ হাজার ১১০, চুয়াডাঙ্গায় ৪ হাজার ১১, মাগুরায় ১ হাজার ৬৪৮, ঝিনাইদহে ২ হাজার ১৬৯, মেহেরপুরে ১ হাজার ১৬১ জন মুক্তিযোদ্ধা।
রাজশাহীতে ২ হাজার ১৬৭, পাবনায় ২ হাজার ৪৭৯, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ হাজার ৩৩৬, বগুড়ায় ৩ হাজার ৭৫, নাটোরে ১ হাজার ৪১২, নওগাঁয় ৩ হাজার ৩৬১, সিরাজগঞ্জে ৩ হাজার ৮, জয়পুরহাটে ১ হাজার ৫৩২, রংপুরে ১ হাজার ২৪১, গাইবান্ধায় ১ হাজার ৮৭২, দিনাজপুরে ৩ হাজার ৭৭০, কুড়িগ্রামে ৩ হাজার ৬১, ঠাকুরগাঁওয়ে ১ হাজার ৬৬৯, পঞ্চগড়ে ১ হাজার ৮৭০, লালমানিরহাটে ২ হাজার ৪৫, নীলফামারীতে ৮৪০ জন। হবিগঞ্জে ২ হাজার ১৬২, সুনামগঞ্জে ৩ হাজার ৭৮৬, সিলেটে ১ হাজার ৯৭৮, মৌলভীবাজারে ১ হাজার ৯৭৮, বরিশালে ৫ হাজার ৮৯২, ভোলায় ২ হাজার ১৫৩, ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫৪১, পিরোজপুরে ২ হাজার ৭৩৫, পটুয়াখালীতে ১ হাজার ৫৯, বরগুনায় ১ হাজার ৯২২ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।
এছাড়া অন্যান্য গেজেটের মধ্যে শহীদ বেসামরিক ৩ হাজার ৩৭, মুজিবনগর ৬৩৬, বিশ্রামগঞ্জ ৩৭, বীরাঙ্গনা ৭৭, স্বাধীন বাংলা বেতার শব্দসৈনিক ২৭৫, যুদ্ধাহত বেসামরিক ২ হাজার ৩৮৮, সেনাবাহিনী গেজেট ২৫ হাজার ৬১২, বিজিবি গেজেট ৯ হাজার ৮, আনসার বাহিনী ৬৮০, পুলিশ বাহিনী ৬৮৫, বিমান বাহিনী ১ হাজার ৬৯, নৌবাহিনী ৮৪৬, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল ৩২, সশস্ত্র বাহিনী শহীদ ১ হাজার ৬২৭, শহীদ বিজিবি গেজেট ৪২৭, শহীদ পুলিশ গেজেট ৪১৩, খেতাবপ্রাপ্ত গেজেট ৬৭৮, বিসিএস গেজেট ১ হাজার ৮ ও ন্যাপ কমিউনিস্ট গেজেট ২ হাজার ৪১৪ জন মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।
