সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মাটিকে যারা জীবন্ত করে তোলে

আপডেট : ১৮ জুন ২০১৯, ০৪:১৯ এএম

খুব সম্প্রতি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে একটি খবর গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হচ্ছে। খবরটা হলোÑ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ডিপটিউবওয়েল থেকে পানি উঠছে না, ফলে কৃষিকাজ থেকে শুরু করে ঘর-গেরস্থালি কাজকর্ম, সবকিছুতেই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন সেই এলাকার বাসিন্দারা। ব্যাপারটা দুশ্চিন্তা জাগানোর মতো খবর। যেখানে ওয়াসার মতো পানি সাপ্লাইয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই, সেখানে প্রায় সবাই-ই ডিপটিউবওয়েলের ওপর নির্ভরশীল। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে গেলে এর সহজ কোনো সমাধান নেই। বাংলাদেশের গ্রাউন্ড ওয়াটার লেভেল যে ক্রমেই নেমে যাচ্ছে, এ বিষয়ে পরিবেশবাদীরা বেশ কিছুদিন ধরেই সতর্কবার্তা দিয়ে যাচ্ছেন। দৈনিক সমকালে গত বছর প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পানিসম্পদ প্রকৌশল বিভাগের গবেষণা অনুযায়ী, প্রতি বছর ভূগর্ভের পানির স্তর দুই থেকে পাঁচ মিটার করে নিচে নামছে। ১৯৬৮ সালে যখন বাংলাদেশে ডিপটিউবওয়েল বসানো শুরু হয়, তখন সর্বোচ্চ ৫০ ফুট নিচে টিউবওয়েল বসিয়েই পানি পাওয়া যেত। এখন ১৬০ ফুট বসিয়েও পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যাচ্ছে না। বিএডিসির ২০১৬ সালের গ্রাউন্ড ওয়াটার জোনিং ম্যাপে দেখা যায়, দেশের মধ্যভাগ ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে বিস্তৃত ৪৮ জেলার ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৫ থেকে ১০ ফুট পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে। এমনকি ‘ধান-নদী-খাল, এই তিনে বরিশালে’ও পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর বলছে, গত পাঁচ বছরে বরিশাল নগরীতে সর্বোচ্চ ১৬ ফুট ও নগরীর বাইরে ছয় ফুট পর্যন্ত নিচে নেমে গেছে পানির স্তর।

ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। প্রধান কারণগুলোর একটি হলো অপরিকল্পিতভাবে ডিপটিউবওয়েল স্থাপন ও পানি উত্তোলন, অন্যটি হলো বন ধ্বংস। কোনো এলাকায় যখন নির্বিচারে গাছপালা উজাড় করা হয়, তখন সবার অলক্ষ্যে পানির স্তরও নিচের দিকে নামতে থাকে এবং মরুকরণ ঘটতে থাকে। একসময় দেখা যায়, সেই মাটিতে চাষাবাদও করা সম্ভব হচ্ছে না। তখন কৃত্রিম উপায়ে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ডিপটিউবওয়েল স্থাপনের মাধ্যমে, পানি সরবরাহ করতে হয়, যা সেই পানির স্তরকে আরও নিচে নামিয়ে দিতে সহায়তা করে। ফলাফল, সেই এলাকা মরুভূমিতে পরিণত হয়। এই ভূমিকে পুনরায় জীবন্ত করে তোলার কাজ বেশ কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেলেও যে সেই ভূমিকে পুনরায় জীবন্ত করে তোলা যায়, তার উদাহরণ দেখিয়েছেন টেক্সাসের র‌্যাঞ্চার ডেভিড ব্যাম্বারগার। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে ডেভিড ব্যাম্বারগার টেক্সাসের ৫ হাজার ৫০০ একর জমি কিনে একটি প্রকল্প শুরু করেন। তিনি যে জমি কিনেছিলেন, সেটি টেক্সাসের অন্যতম নিকৃষ্ট জমি ছিল। সেখানে কোনো ঘাস ছিল না, গাছ ছিল না, অল্প কিছু পাখির দেখা পাওয়া যেত। সবচেয়ে বড় যে ব্যাপার, সেখানে পানির প্রচণ্ড অভাব ছিল। পানির জন্য তিনি সে সময় সাতটি কূপ খনন করেছিলেন, প্রতিটি ৫০০ ফুট গভীর, কিন্তু কোনোটি থেকেই পানি পাওয়া যায়নি। এই জমিতে প্রাণ ফিরিয়ে আনার বিশাল এক সংগ্রামে তিনি লিপ্ত হলেন।

ডেভিডের জীবনে সংগ্রাম ছিল, সফলতাও ছিল। তিনি দরিদ্র একটি পরিবার থেকে এসেছিলেন। দরজায় দরজায় ঘুরে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বিক্রি করেছেন জীবনের শুরুতে। তারপর ফ্রাইড চিকেন বিক্রির ব্যবসায়ে নিজেকে জড়িয়ে নেন এবং বিপুল সম্পদের মালিক হন। পুলিৎজার বিজয়ী ঔপন্যাসিক লুই ব্রমফিল্ডের একটি উপন্যাস ‘প্লিজেন্ট ভ্যালি’ পড়ে তিনি অত্যন্ত প্রভাবিত হন। উপন্যাসে পরিত্যক্ত একটি জমিকে নতুন জীবনে ফিরিয়ে আনার গল্প বলা হয়েছিল। তার কেনা ৫ হাজার ৫০০ একর জমিতে তিনি সেই উপন্যাসেরই বাস্তব প্রতিফলন ঘটান এবং মাত্র আড়াই বছরের ব্যবধানে সেই জমিতে, যেখানে ৫০০ ফুট গভীর কূপেও পানি পাওয়া যায়নি, সেখানে পাথর ফুঁড়ে বের হওয়া পানির ঝরনাকে (ওয়াটার স্প্রিং) পুনরায় জীবন্ত করতে সক্ষম হন। কীভাবে সম্ভব হয়েছিল এই কাজ? ঘাস লাগানোর মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞের পরামর্শে তিনি জমিতে নেটিভ ঘাসের চাষ শুরু করেন। ঘাস না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি জমির অভ্যন্তরে প্রবেশ করত না, মাটি থাকত খটখটে শুকনো। ঘাসের কারণে বৃষ্টির পানি মাটির অভ্যন্তরে জমা হতে থাকে, যা স্পঞ্জের মতো পানি ধরে রাখে এবং জমে থাকা পানিই একসময় ঝরনার আকারে বের হয়ে আসে। শুষ্ক জমিতে পানির ছড়া মানে প্রাণের উপস্থিতি। যে জমিতে প্রাণ আছে, সেখানে আরও অনেক কিছুই হবে। ৫০ বছরের ব্যবধানে সেই ৫ হাজার ৫০০ একর জমিতে বিশাল পরিবর্তন ঘটেছে। সেখানে এখন শুধু পানির ছড়াই দেখতে পাওয়া যায় না, সেখানে রীতিমতো লেক রয়েছে, আড়াইশর বেশি পাখির প্রজাতি রয়েছে। ডেভিড ব্যাম্বারগারের এই উদ্যোগ স্বীকৃতিও পেয়েছে। সারা বিশ্বে তিনি কনজারভেশনিস্ট হিসেবে বিখ্যাত হয়েছেন, অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। তার র‌্যাঞ্চের ঘটনা নিয়ে একটি বই লেখা হয়েছে, নাম Water From Stone : The Story of Selah, Bamberger Ranch Preserve।

ডেভিড ব্যাম্বারগার যা করেছেন, এর জন্য তিনি অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য কিন্তু এ কথাও মানতে হবে, জনবসতিহীন একটি স্থানে পানির অভাবের প্রভাব এবং জনবসতিপূর্ণ একটি স্থানের পানির অভাবের প্রভাবে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। তানজানিয়ার একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ কোকোটা, যার আশপাশে লবণাক্ত পানিতে পূর্ণ সমুদ্র এবং দ্বীপে নেই কোনো সুপেয় পানির উৎস, সেখানে বন উজাড়ের প্রভাব অত্যন্ত মারাত্মক এবং জীবন ও অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। তা সত্ত্বেও তারা এখন ঘুরে দাঁড়িয়েছে এবং নিজেদের অস্তিত্বকে টিকিয়ে রাখার চ্যালেঞ্জ নিজেরাই মোকাবিলা করছে। কোকোটা অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি দ্বীপ, যার আয়তন মাত্র এক বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা শ-পাঁচেকের কিছু কম বা বেশি। দ্বীপে জীবনযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ খুব বেশি না থাকায় কোকোটাবাসী শত শত বছর ধরে নিজের দ্বীপের গাছপালা নিজেরাই কেটে উজাড় করেছে। তার ওপর, তাদের জীবিকার প্রধান উৎস মাছ ধরাও বাধাগ্রস্ত। কারণ, মাছের পরিমাণ কমে গেছে। দারিদ্র্যপীড়িত এই দ্বীপে কোনো স্কুল ছিল না। সুতরাং এই দ্বীপবাসীর ভবিষ্যৎ যে খুব সংকটপূর্ণ, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না। এ রকম সময়ে এক দশক আগে মোবারক মুসা ওমর নামের এক ব্যক্তির নেওয়া উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় বর্তমানে গ্রামটি ধ্বংসের মুখ থেকে ফিরে এসেছে।

২০০৭ সালে ওমর তার বন্ধুর বাড়ি কোকোটায় গিয়ে সুপেয় পানির দুষ্প্রাপ্যের বিষয়টি লক্ষ করে। কানাডার ২১ বছরের যুবক জেফ, যে কি না একজন ট্রি-প্ল্যান্টার, এর সঙ্গে ওমরের পরিচয় ছিল। দুজনে মিলে কোকোটা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার কাজ শুরু করে। কোকোটার জনগণকে সচেতন করার পাশাপাশি গাছ লাগানোর আন্দোলন খুব একটা সহজ কাজ ছিল না। গাছের চারা তৈরির জন্য সুপেয় পানির প্রয়োজন অথচ কোকোটায় তা দুপ্রাপ্য, ফলে এই কাজটি তাদের করতে হয়েছে অন্যস্থানে। তারপর সেই চারা কোকোটায় নিয়ে এসে লাগানো, যত্ন করা এবং বড় করে তোলা। ওমর ও জেফ কোকোটায় প্রথম স্কুলটিও স্থাপন করে। স্কুল ভবনের সঙ্গেই তৈরি হয় ওয়াটার রিজার্ভার, উদ্দেশ্য রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং। অর্থাৎ, বৃষ্টির পানি ধরে রেখে সুপেয় পানির অভাব পূরণ করা। এই ওয়াটার রিজার্ভারে ২ দশমিক ৫০ লাখ লিটার পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব। কোকোটার জনগণও তাদের এ কাজে সহায়তা করেছে। তারা তাদের পেশায় পরিবর্তন এনেছে, কৃষিকাজে মনোযোগী হয়েছে এবং বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বেশ কিছু ফলের উৎপাদন করছে। নিজেদের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে এখন তারা কীভাবে মাছের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব সে বিষয়ে চিন্তা করছে।

ওমর ও জেফ যে কাজটি করেছেন, তার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের বড় একটি অংশ তারা পেয়েছেন বিভিন্ন দাতাগোষ্ঠীর কাছ থেকে। অমুনাফাভোগী প্রতিষ্ঠানের এ মডেল তৃতীয় ও উন্নয়নশীল বিশ্বের দেশগুলোতে বেশ প্রচলিত। তবে ভারতের শুভেন্দু শর্মা এর ব্যতিক্রম। তিনি বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বনায়ন করেন। অর্থাৎ, আপনি যদি প্রয়োজনীয় অর্থ তাকে দিতে পারেন, তবে তিনি এর বিনিময়ে আপনাকে একটি বন তৈরি করে দেবেন। এই বন হতে পারে আপনার বাড়ির আশপাশে, আপনার অ্যাপার্টমেন্টে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিংবা শহরের পার্কে! শুনে হয়তো অবাক হয়ে যাবেন। কিন্তু শুভেন্দু শর্মা বনের সংজ্ঞাকেই পাল্টে দিয়েছেন। সাধারণভাবে ঘন গাছপালায় ভর্তি কোনো জায়গায় যেখানে বন্য জন্তুরা ঘুরে বেড়ায় বা বসবাস করে, এমন জায়গাকে বন বলা হলেও শুভেন্দুর মতে বন হলো ঘন গাছপালায় ভর্তি এমন জায়গা, যেখানে সহজে প্রবেশ করা যায় না। তার এই সংজ্ঞা অনুযায়ী বন তৈরির জন্য যে সুবিশাল জায়গার প্রয়োজন হবে তা কিন্তু নয়।

শুভেন্দু শর্মা একজন ইকো-এন্ট্রাপ্রিনিউর, তার প্রতিষ্ঠানের নাম অ্যাফোরেস্ট (Afforestt))। এক দশক আগে তিনি ছিলেন একজন ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রকৌশলী যিনি টয়োটা কোম্পানিতে কাজ করতেন। সেখানে তিনি ড. আকিরা মিয়াকির সঙ্গে পরিচিত হন যিনি টয়োটার কারখানায় একটি বন তৈরি করেছিলেন। এই বনের কনসেপ্ট বেশ প্র্যাকটিক্যাল। কারণ, এই ধরনের বন ১০ গুণ দ্রুত বড় হয়, ৩০ গুণ বেশি ঘন হয় এবং ১০০ গুণ বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ হয়। আকিরা মিয়াকির সহায়তায় শুভেন্দু শর্মা তার বাড়ির পেছনে প্রথম বনায়ন করেন। কত বড় বন? মাত্র ৯৩ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে স্থাপিত সেই বনে ছিল ৪২ ধরনের ৩০০টি বিভিন্ন ধরনের গাছ! ২০১১ সালে শুভেন্দু তার প্রতিষ্ঠান অ্যাফোরেস্টের যাত্রা শুরু করেন। বর্তমানে কমপক্ষে পাঁচটি দেশে ২৫টি বন স্থাপন করেছেন তিনি এবং এই সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলছে। শুভেন্দুর তৈরি বনের সবচেয়ে বড় সফলতা কী? তিনি সুপরিকল্পিতভাবে যে বন তৈরি করেন, সেখানে বায়োডাইভার্সিটি সাধারণ বনের চেয়ে অনেক বেশি। তার প্রতিষ্ঠান মাটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মাটিতে প্রয়োজনীয় উপাদানের ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে এবং সেগুলো পূরণ করার চেষ্টা করে। তারপর নানা হিসাবনিকাশের মাধ্যমে গাছপালা নির্বাচন করে রোপণ এবং পরিচর্যা করা হয়। দুই থেকে তিন বছরের ব্যবধানে এই বনের গাছপালা, মাটি ইত্যাদি নিজেদের দেখভাল নিজেরাই করতে শুরু করে। ফলাফল? প্রাকৃতিকভাবে যে বন তৈরি হতে ১০০ বছর সময় লাগার কথা, সেই বন মাত্র ১০ বছরে তৈরি হয়!

বাংলাদেশের পরিবেশে যেভাবে বিপর্যয় ঘটছে, তাতে এর পরিণতি হয়তো ৫০ বছর আগেকার টেক্সাসের ব্যাম্বারগার র‌্যাঞ্চের অবস্থায় পৌঁছাবে, কিংবা তানজানিয়ার কোকোটা দ্বীপের মতো। এ অবস্থা প্রতিরোধে আমাদের অবশ্যই সচেতন হওয়া উচিত এবং যার যার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা উচিত। ডেভিড ব্যাম্বারগার, মোবারক মুসা ওমর এবং শুভেন্দু শর্মার মতো মানুষ এই দেশে যত বেশি হবে, বাংলাদেশকে মরুভূমির দিকে নিয়ে যাওয়াকে আমরা ততটাই দীর্ঘায়িত করতে সক্ষম হব। অন্যথায়, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বসবাস অযোগ্য একটি দেশ রেখে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না।

বাংলাদেশের পরিবেশে যেভাবে বিপর্যয় ঘটছে, তাতে এর পরিণতি হয়তো ৫০ বছর আগেকার টেক্সাসের ব্যাম্বারগার র‌্যাঞ্চের অবস্থায় পৌঁছাবে, কিংবা তানজানিয়ার কোকোটা দ্বীপের মতো। এ অবস্থা প্রতিরোধে আমাদের অবশ্যই সচেতন হওয়া উচিত এবং যার যার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা উচিত। ডেভিড ব্যাম্বারগার, মোবারক মুসা ওমর এবং শুভেন্দু শর্মার মতো মানুষ এই দেশে যত বেশি হবে, বাংলাদেশকে মরুভূমির দিকে নিয়ে যাওয়াকে আমরা ততটাই দীর্ঘায়িত করতে সক্ষম হব। অন্যথায়, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বসবাস অযোগ্য একটি দেশ রেখে যাওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না

লেখক

ব্যাংক কর্মকর্তা

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত