দ্রুত বিচার আইনের মেয়াদ ৫ বছর বাড়াতে সংসদে বিল

আপডেট : ২৬ জুন ২০১৯, ০১:৪৯ এএম

আলোচিত ‘দ্রুত বিচার আইন’ আরও পাঁচ বছর চালু রাখার প্রস্তাব সংসদে উঠেছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জমান খাঁন কামাল জাতীয় সংসদে ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) বিল- ২০১৯’ সংসদে উত্থাপন করেন।

পরে বিলটি সাত কার্যদিবসের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। বিলটি পাস হলে এ  আইনটি ২০২৪ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

আইনটি প্রণয়নের উদ্দেশে বলা হয়েছিল, চাঁদাবাজি, যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও সন্ত্রাস সৃষ্টি, অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র কেনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অপরাধ দ্রুততার সঙ্গে বিচারের জন্য এ আইন। এ আইনে দোষী প্রমাণিত হলে দুই থেকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদ- ও অর্থদ- হতে পারে।

প্রতি জেলায় গঠিত এক বা একাধিক দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ আইনের মামলার বিচার চলে। দ্রুত বিচার আইনে ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ নিষ্পত্তি করার বিধান আছে। এই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা না গেলে আরও ৬০ দিন সময় পাওয়া যায়।

২০০২ সালে যখন দ্রুত বিচার আইন প্রথম সংসদে পাস হয়, সে সময় এ আইনের মেয়াদ ছিল দুই বছর। পরে ছয়বারে এর মেয়াদ বাড়ানো হয় মোট ১৫ বছর। সর্বশেষ ২০১৪ সালে এর মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানো হয়, যা গত ৯ এপ্রিল শেষ হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত