বজ্রপাতে গতকাল শুক্রবার সাতক্ষীরায় একই পরিবারের তিনজনসহ মোট পাঁচজন মারা গেছেন। এ ছাড়া বজ্রপাতে ময়মনসিংহের ভালুকায় এক নারী, মাগুরায় এক মৎস্যজীবী ও নড়াইলের কালিয়ায় দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবরÑ
সাতক্ষীরা : কালীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) এস এম আজিজুর রহমান
জানান, বেলা ১১টার দিকে রতনপুর ইউনিয়নের গড়ুইমহলে আদম আলীর বাড়ির টিনের চালে বজ্রপাত হয়। এতে ঘরে থাকা আদম আলীর বড় ছেলে আল আমিন (২২), আল আমিনের নববধূ সাবিনা ইয়াসমিন (১৮) ও আদম আলীর ছোট ছেলে রবিউল ইসলাম (১৯) মারা যান। আদম আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এছাড়া দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একই ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামের হাকিম গাজীর ছেলে কৃষক মুনছুর গাজী (৫০) মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মারা গেছেন।
আশাশুনি থানার ওসি আবদুস সালাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বুধহাটা ইউনিয়নের মাদরা গ্রামের প্রদীপ সরদারের ছেলে জুয়েলসহ তিনজন ঘেরে কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে কর্মচারী জুয়েল সরদার (২৪) মারা যান।
ভালুকা (ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের ভালুকায় উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের ঝালপাজা গ্রামের রমিজা (৬০) গতকাল দুপুরে ঘরের বারান্দায় বসে কাজ করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে তিনি মারা যান।
মাগুরা : সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া গ্রামে গতকাল দুপুরে বজ্রপাতে পংকজ কুমার বিশ্বাস (৩৫) নামে এক মৎস্যজীবীর মৃত্যু হয়েছে।
দুপুরে প্রচ- বৃষ্টি শুরু হলে পংকজ গ্রামের পাশের মাঠ থেকে গরু আনতে যান। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নড়াইল : বেলা ১১টার দিকে ভক্তডাঙ্গা বিলে প্রদীপ বর্মণের মাছের ঘেরে কাজ করছিলেন শ্রমিক নয়ন বর্মণ (২৩) ও ফারুক হোসেন (৪০)। এ সময় বজ্রপাতে তাদের শরীর ঝলসে যায়। কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
