আ.লীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৯, ০৩:৪০ এএম

রাজধানীতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে রমজান (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। সে বাড্ডা এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা ফরহাদ আলী হত্যা মামলার  প্রধান আসামি বলে জানিয়েছে ডিবি। এ ছাড়া রমজান ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা শামসু মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান ওরফে গামা ও স্থানীয় একটি হাসপাতালের কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদসহ চার হত্যায় অন্যতম সন্দেহভাজন ছিল। এদিকে কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছলিম উল্লাহ (৩৬) নামে এক ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছে।

বাড্ডা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল বুধবার ভোররাতে ডিবির একটি দল বাড্ডা সাতারকুল এলাকার ইউনাইটেড বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে অভিযানে যায়। এ সময় দুর্বৃত্তদের একটি দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি করলে সেখানে গুলিবিদ্ধ একজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে বাড্ডা থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

বাড্ডা থানার এসআই মাসুদুর রহমান বলেন, রমজানের বুকে-পেটে ৬টি গুলির চিহ্ন ছিল। তার বাবার নাম ইজ্জত আলী। বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বিজয়নগর এলাকায়। থাকত রাজধানীর আগারগাঁও তালতলা এলাকার বাসায়। স্থানীয়রা জানিয়েছে, নিহত রমজান স্থানীয় সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর ভাগ্নে কাউন্সিলর ফারুকের ঘনিষ্ঠ। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানায়, রমজান বাড্ডা এলাকার সন্ত্রাসী মেহেদী, রবিন, কলিমসহ একটি গ্রুপের সদস্য। গত বছর ১৫ জুন উত্তর বাড্ডা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ আলীকে তারা হত্যা করে। ওই মামলার প্রধান আসামি ছিল রমজান। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে আফতাবনগর গরুর হাটে চাঁদাবাজি, দখলসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা ছিল।

টেকনাফে ইয়াবা কারবারি নিহত : কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ছলিম উল্লাহ নামে এক ইয়াবা কারবারি নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। বাহিনীটি ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের কথাও জানিয়েছে। নিহত ছলিম উল্লাহ টেকনাফ সদর ইউপির নতুন পল্লানপাড়ার নজির আহম্মদের ছেলে। র‌্যাব বলেছে, গতকাল ভোররাতে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের উত্তর শীলখালি মেরিন ড্রাইভ রোডের পশ্চিম পাশে ঝাউবাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

র‌্যাব-১৫-এর উইং কমান্ডার আজিম আহমেদ বলেন, ‘র‌্যাবের একটি দল ওই এলাকায় ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে গেলে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে মাদক কারবারিরা। এ সময় আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে ২টি এলজি, ১০ হাজার ইয়াবা, ৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৭টি খালি খোসাসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছলিম উল্লাহকে উদ্ধার করা হয়।’ তিনি জানান, ছলিম দুই লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার মামলার পলাতক আসামি ছিল। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টেকনাফ থানা পুলিশের মাধ্যমে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত