জিম্বাবুয়েকে আইসিসির বহিষ্কার

সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ মন্ত্রীর অস্বীকার

আপডেট : ২১ জুলাই ২০১৯, ১২:২৫ এএম

আইসিসি থেকে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের সদস্যপদ স্থগিতের পর টনক নড়েছে মানানগাওয়া সরকারের। একদিন পর ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। জিম্বাবুয়ের ক্রীড়ামন্ত্রী ক্রিস্টি কভেন্ট্রি গতকাল দাবি করেছেন, ক্রিকেট বোর্ড পরিচালনায় সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ ছিল না। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে মর্মাহত সরকার। 

এক টুইট বার্তায় জিম্বাবুয়ের সাবেক অলিম্পিক সুইমিং চ্যাম্পিয়ন জানান, ‘আমি সত্যিই মর্মাহত। ক্রিকেটারদের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে আমার খারাপ লাগছে। জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট পরিচালনায় সরকারের কোনো হাত ছিল না। বা আইসিসির দেওয়া তহবিলের অপব্যবহারও করা হয়নি। আইসিসি ক্রিকেটারের বিষয়গুলো একবারও চিন্তা করল না। তবে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে দক্ষ ও সঠিক পরিচালনা পর্ষদের প্রয়োজন আছে, আমি মানছি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্যের জন্য শিগগিরই আমরা নতুন কমিটি দেখব।’

জিম্বাবুয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে অক্টোবরে নতুন নির্বাচন পর্যন্ত। ওই নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যবেক্ষণ করবে আইসিসি। এরপর স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ এলে অক্টোবরে স্থগিতাদেশ তুলে দেওয়া হবে কি না এ নিয়ে আলোচনায় বসবে ক্রিকেটের পরিচালনা পর্ষদ। যে কারণে আগস্টে জিম্বাবুয়ে নারী ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলা হচ্ছে না। আর অক্টোবরে পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলাও অনিশ্চিত হয়ে গেছে জিম্বাবুয়ের।

এদিকে এমন সিদ্ধান্তের জন্য আইসিসির সমালোচনা করেছেন সাবেক পেসার হেনরি ওলোঙ্গা। দেরিতে চোখ খোলার জন্য আইসিসিকে দায়ী করেছেন। ১৯৯৫ সালে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট দলে নাম লেখান ওলোঙ্গা। ২০০৩ বিশ্বকাপের সময় রবার্ট মুগাবের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন ওলোঙ্গা ও অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। নিজের টুইটারে সেই ওলোঙ্গা লিখেছেন, ‘একদল অযোগ্য লোক এই খেলাটির পরিচালক হয়ে এসেছে। গত পাঁচ বছর ধরে এটাই হচ্ছে। এতদিন কি আইসিসি চোখ খোলেনি। আমি যতদূর জানি আইসিসি ক্রিকেট থেকে রাজনীতিকে দূরে রাখার চেষ্টা করে আসছে। কিন্তু আমার মনে হয় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটে রাজনীতিকে যুক্ত করার জন্য আইসিসিও দায়ী।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত