উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ১০ বছরের মাস্টার প্ল্যান

আপডেট : ২৩ জুলাই ২০১৯, ১২:০৩ এএম

বাংলাদেশের শিল্প, সেবা, কৃষিসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে জাপানভিত্তিক এশিয়ান  প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও) প্রণীত দশ বছর  মেয়াদি ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি মাস্টার প্ল্যান ২০২১-৩০’ হস্তান্তর করা হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ে গতকাল এপিওর মহাসচিব ড. শান্তি কানকতানাপর্ন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের হাতে এটি তুলে দেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, গত দশ বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া কর্মসূচিতে দেশের শিল্প খাত সুসংহত হয়েছে। মোট জাতীয় উৎপাদনে এ খাতের অবদান বাড়ছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছর জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫ দশমিক ১৫ শতাংশ, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছর ছিল ৩৩ দশমিক ৭১ শতাংশ। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রণীত এ মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শিল্পমন্ত্রী আরও বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ হতে চলেছে। রূপকল্প ২০৪১ অনুযায়ী উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার জন্য বাংলাদেশ সঠিক পথেই অগ্রসর হচ্ছে। তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নের অভিযাত্রা জোরদারে শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনীলতা বাড়াতে গুরুত্ব দেন।

এপিওর মহাসচিব বলেন, দশ বছর মেয়াদি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারা বেগবান হবে। এটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা করে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প, সেবাসহ বিভিন্ন খাতে উৎপাদনশীলতা জোরদার হবে।

শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশনের (এনপিও) পরিচালক এস এম আশরাফুজ্জামান। মাস্টার প্ল্যানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সিঙ্গাপুরের উৎপাদনশীলতা কৌশলবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড. উন কিন চাং।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত