নগরীর পশুরহাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মাহবুবর রহমান। পাশাপাশি পশুবাহী ট্রাকগুলোও পুলিশি তল্লাশি থেকে ছাড় দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার দামপাড়া পুলিশ লাইনসের সম্মেলন কক্ষে কোরবানি উপলক্ষে পশুর হাটের নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা সংক্রান্ত সভায় পুলিশ কমিশনার এসব কথা বলেন।
মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে পুরো শহরকে ৫টি সেক্টরে ভাগ করে ৫ হাজার পুলিশ সদস্য নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করবে। প্রতিটি পশুর হাটে পুলিশের কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ার থাকবে। সেসব সাব কন্ট্রোল রুমে জাল নোট শনাক্তকরণের মেশিন বসানোর পাশাপাশি মানি এসকর্ট সুবিধাও থাকবে।
তার সাথে নতুন সংযোজন হল ড্রোন। এই ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করে কোরবানির হাটের নিরাপত্তা নজরদারিতে রাখা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবার পশুর হাটে আসা পশুবাহী ট্রাকে তল্লাশির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ আসে। কিন্তু এবার পশুবাহী ট্রাক পুলিশ তল্লাশি করবে না। পশুবাহী ট্রাক তল্লাশির আওতামুক্ত থাকবে।
কোনো সংস্থা বা সংগঠনের নামে কেউ যেন পশুবাহী ট্রাক ও হাটে চাঁদাবাজি করার সাহস না করে এমন হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে।
ছিনতাইকারী ও মলমপার্টির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ছিনতাইকারী ও মলমপার্টির দিকে বিশেষ নজর থাকছে এবার। যারা জামিনে মুক্ত হয়েছে তাদেরও নজরে রাখা হয়েছে।
বিমানবন্দরমুখী সড়কে দুটি পশুর হাট না বসানোর ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের প্রতি সিএমপির পরামর্শ ছিল জানিয়ে পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, আমাদের প্রস্তাব ছিল যানজট রোধে কোনো অবস্থায় সড়কের পাশে পশুর হাট যেন না থাকে। আমরা বিমানবন্দরমুখী সড়কে দুটি হাট বসানোর অনুমতি না দেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু সেই জায়গায় না হলেও পাশ্ববর্তী দুটি স্থানে ইজারা দিয়ে সিটি করপোরেশন। যা হয়তো তুলনামূলক কম যানজট হবে কিন্তু বিমানবন্দর সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার দায়িত্ব সবার। তাই ইজারাদারদের অনুরোধ করবো সিটি করপোরেশনের বেঁধে দেওয়া চৌহদ্দির বাইরে যাতে তাদের হাটের পরিধি না বাড়ে।
