বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত সাইয়েদ মোহাম্মদ আল মেহরি বলেছেন, জিপিএইচ ইস্পাতের পেশাগত দক্ষতা ও আধুনিক প্রযুক্তির সম্মিলন বাংলাদেশে তথা এশিয়ার ইস্পাত খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রাইভেট সেক্টরের ইমেজ বৃদ্ধি পাবে। গত শুক্রবার চট্টগ্রামের সীতাকু-ের কুমিরায় অবস্থিত জিপিএইচ ইস্পাতের নতুন প্ল্যান্ট পরিদর্শনকালে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন। এ সময় উভয় দেশের সরকারের দ্বিপক্ষীয় সুসম্পর্ক ও বেসরকারি খাতে বাণিজ্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে জিপিএইচ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘জিপিএইচ ইস্পাত বিশ্বে প্রথম কোম্পানি যার কারখানায় একই ছাদের নিচে ইলেকট্রিক আর্ক ফার্নেস কোয়ান্টাম ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। এতে ২৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে অত্যাধুনিক এ কারখানার। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে কারখানাটি পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাবে। এতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষবাবে ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে।’
জিপিএইচ ইস্পাতের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর কবির বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত পরিবেশবান্ধব ও সেফটিকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।’ অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল বলেন, ‘এই প্ল্যান্ট চালু হলে ২২৬ কোটি টাকা সরকারকে রাজস্ব দেওয়া হবে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে।’
পূর্বাহ্ণে রাষ্ট্রদূত ও তার সফরসঙ্গী বাংলাদেশস্থ ব্র্যান্ড গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল মোস্তফাকে নতুন প্রজেক্টের সামগ্রিক বিষয় নিয়ে মাল্ট্রিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন দেন হেড অব প্রজেক্ট ড. এ এস এম সুমন। এ সময় জিপিএইচ ইস্পাতের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলমগীর কবির, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমাস শিমুল, অ্যাডভাইজর ইঞ্জিনিয়ার মোশতাক আহমদ, আমিরুল ইসলাম, এম এন দস্তুর অ্যান্ড কোম্পানির প্রীতম চ্যাটার্জি, টেকনিক্যাল অডিটর অনিন্দ্য কে ব্যানার্জি উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত প্ল্যান্ট এলাকায় পৌঁছলে জিপিএইচ পরিবারের সদস্য সুবেহ সোহা ও সাফওয়ান সাজিদ রোয়াহেম ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। রাষ্ট্রদূত ও তার সফরসঙ্গী নতুন প্ল্যান্টের রোলিং-মিল, অ্যাডমিন বিল্ডিং, মেইন রিসিভিং সাবস্টেশন, এয়ার সেপারেশন ইউনিট, স্টোর অ্যান্ড ইনভেন্ট্রি, সিসিএম ইউনিটগুলো সরেজমিন পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেন।
