ঈদের আগের রাতে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৯, ১১:৩১ এএম

ভোলায় ঈদ উপলক্ষে হাতে মেহেদি দিতে গিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী (১২) দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পা্ওয়া গেছে। রবিবার দিবাগত রাতে (ঈদের আগের রাতে) এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে কিশোরীরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিশোরীর পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, ভোলা সদর উপজেলার উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নে কিশোরীর বাবা রবিবার সন্ধ্যার দিকে গরু বিক্রি করার  টাকা আনতে ভোলা শহরে যান।

বাবা শহরে চলে যাওয়ার পর দুই বোন রাত ৮টার দিকে পার্শ্ববর্তী দুঃসর্ম্পকের আত্মীয় মাহাফুজের স্ত্রীর কাছে হাতে মেহেদি দিয়ে সাজতে যায়।

ওই সময় আগে থেকে আপেক্ষমাণ মাহাফুজের ঘরের ভাড়াটিয়া ভোলা আদালতের মোহরি আল আমিন (২৫) ওই স্কুলছাত্রীকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়।

এসময় আলমিনের স্ত্রী ঘরে ছিলেন না। এই সুযোগে হঠাৎ করে ওই ছাত্রীকে আলামিন ও তার সহযোগী মঞ্জুর আলম (৩০) ঝাপটে ধরে হাত পা ও মুখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

ছাত্রীর ডাকচিৎকারে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কিশোরীর পরিবারের সদস্য তাকে উদ্ধার করে মুমূর্ষু অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কিশোরীর বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন বলে স্বীকার করে জানান, কিশোরীর বয়স কম হওয়ায় তার অবস্থায় আশঙ্কাজনক। ধর্ষণে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছে। ডাক্তার না থাকায় সেলাই দেওয়ার মতও  অবস্থা ভোলায় নেই। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল প্রেরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত আল আমিন ও মঞ্জুর আলমকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত