সালিস বৈঠক থেকে ধর্ষককে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৯, ০৪:৫৪ পিএম

এবার সালিস বৈঠক থেকে মনসুর আলী (২৫) নামে এক ধর্ষককে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর বাবা মনসুরসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি করেন।

মনসুর আলী  ঢাকা কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের বোয়ালধার গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- একই গ্রামের আ. গণির ছেলে দুলাল হোসেন (৩০), জুয়েল রানা (২১), আজগর আলীর ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০), শামীম হোসেন (২৮), খলিলুর রহমানের ছেলে শাহিনুর (২৫), দবিরুল ইসলামের ছেলে শাহজালাল (২৫), সাইদুর রহমানের ছেলে উজ্জ্বল (১৮), হাসান আলীর ছেলে রব্বানী (৩০), মখলেসুর রহমানের ছেলে রেজাউল হক (২৫), মৃত মহিম উদ্দীনে ছেলে আ. গণি (৪০) এবং রাণশীংকৈল থানার নেকমরদ গ্রামের দবিরুল ইসলামের ছেলে আশরাফুল হক (৩০)।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, মাদ্রাসা ছাত্রী ও কলেজছাত্র মনসুর আলীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেম চলছিল। ঈদের কলেজ ছুটিতে বাসায় এসে রবিবার দিবাগত রাত ২টার সময় মাদ্রাসা ছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে তার ঘরে গোপনে প্রবেশ করে মনসুর। গভীর রাতে মনসুর আলী মাদ্রাসা ছাত্রীর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে। ঘটনা টের পেয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবারের লোকজন তাকে হাতে নাতে আটক করে।

মাদ্রাসা ছাত্রীর চাচা জানান, ঈদের দিন সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে মীমাংসা করার জন্য ওই ছাত্রীর বাড়িতে বৈঠকে বসে দুই পরিবারের লোকজন। হঠাৎ মামলার আসামিরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে ঘরের দরজার তালা ভেঙে মনসুর আলীকে নিয়ে যায়।

মামলার বাদী মাদ্রাসা ছাত্রীর বাবা জানান, মোবাইল ফোনে হুমকি দিচ্ছে আসামির লোকজন। মামলা তুলে না নিলে তারা মনসুর আলীকে লুকিয়ে রেখে অপহরণ মামলা দায়ের করবে।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম জানান, মেয়ের বাবা বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ এবং ৪/৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত