কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ও মুক্তিযোদ্ধাকে থানার ওসির কক্ষে বসে স্থানীয় সাহারবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহসিন বাবুল চড়-থাপ্পড় মেরেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে চকরিয়া থানার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ চেয়ারম্যানকে তাৎক্ষণিক আটক করে হাজতখানায় রাখে। তবে এক ঘণ্টা আটকে রাখার পর চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী এবং চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরীর জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণপাড়ার বাসিন্দা সাবেক অতিরিক্ত জেলা জজ ও মুক্তিযোদ্ধা ফেরদাউস আহমদ দেশ রূপান্তরকে জানান, ব্যক্তিগত কাজে তিনি চকরিয়া থানায় যান। এ সময় থানার ওসির কক্ষে সাহারবিল ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল বসা ছিলেন। তখন মুক্তিযোদ্ধা ফেরদাউস সাহারবিল ইউনিয়নের রাস্তা খারাপের বিষয়ে জানতে চাইলে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে থাপ্পড় মারেন বাবুল। এ সময় তার (মুক্তিযোদ্ধা ফেরদাউস) অভিযোগের ভিত্তিতে চেয়ারম্যানকে হাজতখানায় আটকে রাখে পুলিশ।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ওসি একেএম সফিকুল আলম চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। ঘটনাটি আমার সামনে হয়েছে। সাবেক জজ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাকে থাপ্পড় মারার কারণে চেয়ারম্যানকে আটক রাখা হয়। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চকরিয়া পৌর মেয়রের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।’
ওসি আরও বলেন, ‘তিনি (মুক্তিযোদ্ধা ফেরদাউস) যদি লিখিত অভিযোগ দেন তা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মুক্তিযোদ্ধাকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চেয়ারম্যান বাবুলের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
