দুই সপ্তাহ আগের ঘটনা। কাস্টমস কর্মকর্তাদের সিল ও স্বাক্ষর জাল করে বিনা শুল্কে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য নিয়ে বের হয়ে যায় দুটি ট্রাক। পরে একইভাবে আরও দুটি ট্রাক বের হওয়ার সময় নিরাপত্তা বিভাগের লোকজনের কাছে ধরা পড়ে বিষয়টি। কিন্তু নিরাপত্তা বিভাগের লোকজন যতক্ষণে টের পায়, ততক্ষণে আগের ট্রাক দুটি চলে যায় অনেক দূরে। এক দিন পর মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ফেরিঘাটে পুলিশের সহায়তায় পণ্যসহ ট্রাক দুটি আটক করা হয়। এ ঘটনা থেকেই কিছুটা ধারণা নেওয়া যায় চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে।
এমন পরিস্থিতিতেই বন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থার অগ্রগতি দেখতে গতকাল শনিবার এসেছে যুক্তরাষ্ট্র কোস্টগার্ডের বিশেষ দল। গতকাল বিকেলে তারা ঢাকায় পৌঁছান বলে জানান চট্টগ্রাম বন্দরের উপপরিচালক (নিরাপত্তা) মেজর রেজাউল হক। তিন সদস্যের এই দল আজ রবিবার ও আগামীকাল সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করবে এবং সেখানকার সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন দীর্ঘদিন ধরেই উঠে আসছে। অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হওয়া সত্ত্বেও এলসিএল পণ্য ডেলিভারির কারণে প্রতিদিন কয়েক হাজার ট্রাক ও এর কয়েক গুণ মানুষ ঢোকে বন্দরের ভেতরে।
