নিরাপদ শহরের তালিকায় বিশ্বের ৬০টি শহরের মধ্যে ৫৬তম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। অর্থাৎ অনিরাপদ শহরের দিক থেকে বিশ্বে ঢাকার অবস্থান পঞ্চম। ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) সেইফ সিটি ইনডেক্সের (এসসিআই) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গতবারের তালিকায় শেষের দিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ঢাকার এবার দুই ধাপ উন্নতি হয়েছে।
ব্রিটেনের প্রভাবশালী সাময়িকী
দ্য ইকোনমিস্টের আওতাধীন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ শহর জাপানের টোকিও। দ্বিতীয় নিরাপদ শহর সিঙ্গাপুর, তৃতীয় জাপানের আরেক শহর ওসাকা, চতুর্থ অবস্থানে আছে নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডাম এবং পঞ্চম নিরাপদ শহর অস্ট্রেলিয়ার সিডনি। নবম অবস্থানে থাকা সিউলসহ নিরাপদ শহরের প্রথম ১০টির ৪টিই এশিয়ার। প্রথম ১০টির বাকি শহরগুলো হলো কানাডার টরন্টো (ষষ্ঠ), যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি (সপ্তম), ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন (অষ্টম) ও অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন (দশম)।
তালিকার সবশেষে অর্থাৎ ৬০তম অবস্থানে থেকে বিশ্বের সবচেয়ে অনিরাপদ শহরের তকমা নিয়েছে নাইজেরিয়ার লাগোস শহর। অনিরাপদ শহরের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস। তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে আছে যথাক্রমে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন ও পাকিস্তানের করাচি। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি অনিরাপদ হিসেবে নবম এবং নিরাপদ শহরের দিক থেকে ৫২তম অবস্থানে রয়েছে। ১৫তম অনিরাপদ শহর হিসেবে আছে ভারতের আরেক শহর মুম্বাই। এছাড়া চীনের পেইচিং ও সাংহাই শহর তালিকায় ৩১ ও ৩২তম অবস্থানে রয়েছে।
চারটি নিরাপত্তা সূচকের ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করেছে এসসিআই। সূচকগুলোর মধ্যে আছে অবকাঠামোগত নিরাপত্তা, ডিজিটাল নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা। এ বছরের তালিকায় বিশ্বের ৬০টি শহরকে ৫৭টি ক্যাটাগরির ভিত্তিতে র্যাঙ্কিং করা হয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে ২ বছর পরপর তারা এ তালিকা প্রকাশ করে।
এক নম্বরে থাকা টোকিওর অবকাঠামোগত নিরাপত্তার সূচক ৯৪ দশমিক ৩-এর বিপরীতে ঢাকার সূচক ৩৪ দশমিক ২। ডিজিটাল নিরাপত্তায় ৯৪ দশমিক ৪-এর বিপরীতে ৪১ দশমিক ৯; ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় ৯১ দশমিক ৭-এর বিপরীতে ৫৭ দশমিক ৪ এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় টোকিওর সূচক ৮৭ দশমিক ৫-এর বিপরীতে ঢাকার সূচক ৪৫ দশমিক ১।
