বেগমগঞ্জের ছয়ানীতে প্রথম শ্রেণীর ছাত্র এমরানকে (৮) চারজনে মিলে বলাৎকারের পর হত্যা করেছে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন।
মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে একথা জানান পুলিশ সুপার।
তিনি বলেন, ২২ আগস্ট নিখোঁজ হওয়া এমরানকে ওই চারজন ছয়ানী বাজারের জনৈক সহিদের পরিত্যক্ত একচালা টিনের ঘরে নিয়ে উপর্যুপরি বলাৎকার করে। এতে এমরান অজ্ঞান হয়ে গেলে গলায় রশি পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে ঘরে থাকা প্লাস্টিকের ঝুড়িতে লাশ লুকিয়ে রাখে তারা।
পরে লাশ পচে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
এরপর বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুর আলম তদন্তে নামেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ১ সেপ্টেম্বর ছয়ানী বাজার থেকে ওয়াসিম আকরাম (২০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সোমবার নোয়াখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শোয়েব আহমদের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ওয়াসিম জানায়, ২২ আগস্ট সন্ধ্যায় শিশু এমরানকে চিপস খাওয়ানোর প্রলোভনে সহিদ মিয়ার পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায় সে ও তার তিন সঙ্গী।
এরপর এমরানের মুখ চেপে ধরে চারজনই তাকে উপর্যুপরি বলাৎকার করে। একপর্যায়ে এমরান অজ্ঞান হয়ে পড়লে তারা গলায় রশি পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করে প্লাস্টিকের ঝুড়িতে লুকিয়ে রাখে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুর আলম জানান, বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তিনি তাদের নাম জানাতে চাননি।
