চাঁদাবাজির মামলায় আজমেরী ওসমানের অফিসে পুলিশের অভিযান

আপডেট : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৭:৩৫ পিএম

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের প্রয়াত সাবেক এমপি ও জাতীয় পার্টির নেতা নাসিম ওসমানের ছেলে আজমেরী ওসমানের অফিসে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। চাঁদাবাজি মামলার আসামি হওয়ায় এ অভিযান বলে পুলিশ জানায়।

এসময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ১২টা থেকে আল্লামা ইকবাল সড়কের (কলেজ রোড হিসেবে পরিচিত) দেওয়ান মঞ্জিলে শুরু হওয়া অভিযান শেষ হয় পৌনে ১টায়।

গ্রেপ্তাররা হলো, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন রুপু (৩২) ও মোখলেছুর রহমান (৩৫)। চাঁদাবাজির মামলায় তারা এজাহারভুক্ত আসামি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, রাত সোয়া ১২টায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ, ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায়। অভিযানের শুরুতে ডিবি পুলিশের ৮টি হাইস গাড়ি আল্লামা ইকবাল রোডের উত্তর ও দক্ষিণ উভয় পাশের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। সাধারণ যাত্রীদের রিকশা থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া মালবাহী ট্রাকও প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পরে সদর থানার ওসি আসাদুজ্জামান ও ফতুল্লা থানার ওসি আসলাম ওসমানের নেতৃত্বে আরো দুটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানান, ফতুল্লা ও সদর থানার বর্ডার এলাকা হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। তবে সেটা শুধু টহল ছিল। অন্য কিছু নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত সদর থানা পুলিশ বলতে পারবে। আমরা তাদের সহযোগিতায় ছিলাম।

সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, রাত ৮টায় শহরের আমলাপাড়া এলাকায় বাচ্চু ঠিকাদার নামে একজনের কাছে আজমেরী ওসমান ও তার সহযোগীরা ৬৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তার ওপর আজমেরী ওসমানের লোকজন হামলা চালায়। সে সময় তার অফিস ভাঙচুর ও বাচ্চু ঠিকাদারকে মারধর করা হয়। রাতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয় বাচ্চু ঠিকাদার। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাতে আজমেরী ওসমানের অফিসে ও বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে ঠিকাদার বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে। ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করা হয়েছে। আজমেরী ওসমান পলাতক রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত