রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী রিটা রহমান তার স্বামী মেজর (অব.) খায়রুজ্জামান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেলহত্যা মামলার আসামি নন বলে দাবি করেছেন।
বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন তিনি।
রিটা রহমান বলেন, আমার স্বামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেলহত্যা মামলার আসামি নন। একটি স্বার্থান্বেষী মহল বিএনপির জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে এ অপপ্রচারে নেমেছে। যা নীতি নৈতিকতার পরিপন্থী।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আমার স্বামী মেজর (অব.) খায়রুজ্জামান ভারতে ট্রেনিংয়ে ছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চার্জশিটে তার নাম ছিল না। বঙ্গবন্ধুর হত্যা মামলার ফাইল খুললেই এই তথ্য পাওয়া যাবে।
সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া রিটা বলেন, মেজর খায়রুজ্জামান আসামি না হলেও ১৯৯৬ সালের ১৩ আগস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাকে জেলহত্যা মামলায়ও আসামি করা হয়েছিল। ২০০২ সালে খায়রুজ্জামানসহ পাঁচজনকে আদালত বেখসুর খালাস দেন। তাই কোনো যুক্তিতে খায়রুজ্জামানকে অপরাধী বলা যাবে না।
নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, এতে ফলাফল প্রভাবিত করার আশংকা রয়েছে। এর আগেও আমি ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণের বিরুদ্ধে মহামান্য হাইকোর্টে মামলা করেছিলাম।
রংপুর জেলা বিএনপির কার্যলয়ে এ সংবাদ সম্মলনে উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সামসুজ্জামান সামু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান লাকু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক লিটন পারভেজ, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সামসুল হক ঝন্টু, যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ জিল্লুর রহমান, মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জহির আলম নয়ন প্রমুখ।
