মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল-সিসির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করায় প্রায় ১১০০ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদলু জানিয়েছে, দেশটির বিভিন্ন শহরে এই বিক্ষোভ চলছে।
বিবৃতিতে ইজিপ্সিয়ান ফর রাইটস অ্যান্ড ফ্রিডমস (ইসিআরএফ) জানায়, বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ২০ সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ১১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আছেন মানবাধিকার আইনজীবী মাহিনুর এল-মাসরি, অনেক সাংবাদিক ও তরুণ শিক্ষার্থী।
গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট সিসিকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করেন মিসরীয় অভিনেতা ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী।
সিরিজ ভিডিওতে তিনি দাবি করেন, দেশ অর্থনৈতিক সংকটে থাকলেও সিসি কীভাবে বিলাসী জীবন-যাপন করছেন।
এরপর সিসির পদত্যাগ চেয়ে করা হ্যাশট্যাগে সয়লাব হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। ডাক দেওয়া হয় গণবিক্ষোভের।
বিক্ষোভ দমনে কায়রোতে টিয়ারগ্যাস ছোড়ে পুলিশ। সেদিনই আটক করা হয় বেশ কয়েকজনকে। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তাহরির স্কয়ারে মোতায়েন করা হয় নিরাপত্তা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য।
ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বিক্ষোভের মুখোমুখি হলেন জেনারেল কাম প্রেসিডেন্ট সিসি। দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘মিথ্যা’ এবং ‘অপবাদ’ বলে দাবি করেন তিনি।
সাবেক এই সেনাপ্রধান ২০১৩ সালে মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসিকে এক রক্তাক্ত সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসীন হন।
