থিয়েটার আর্ট ইউনিট প্রবর্তিত ‘এস এম সোলায়মান প্রণোদনা ২০১৯’ গ্রহণ করলেন গাইবান্ধার সারথী থিয়েটারের জুলফিকার চঞ্চল। এর আগেই জানানো হয়েছিল চঞ্চল পাচ্ছেন এ বছর সোলায়মান প্রণোদনা। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালার স্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে এই সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামেন্দু মজুমদার, রোকেয়া রফিক বেবী, ঠাণ্ডু রায়হানসহ অনেকে।
সম্মাননা গ্রহণ করে জুলফিকার চঞ্চল বলেন, গাইবান্ধা শহর থেকে আট কিলোমিটার দূরে অজপাড়াগাঁয়ে আমাদের থিয়েটার চর্চা। সেখানে নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটকের মধ্য দিয়ে ২৫ বছর ধরে নাট্যচর্চা করছি। এই সম্মাননা রাজধানীর বাইরে থাকা স্বপ্নবাজ নাট্যশিল্পীদের উৎসাহ জোগাবে।’
একই অনুষ্ঠানে এস এম সোলায়মান স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন ভারতের নাট্যগবেষক ও সংগীতশিল্পী দেবজিত বন্দ্যোপাধ্যায়। থিয়েটার আর্ট ইউনিটের শিল্পীরা সোলায়মানের নাটকের গান ও কিছু দৃশ্য অভিনয়ের মাধ্যমে উপস্থাপন করে।
এস এম সোলায়মান ১৯৫৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ২০০১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। ৪৮ বছরের জীবনে তিনি ৩০টিরও বেশি নাটক রূপান্তর ও নির্দেশনা দিয়েছেন। একাধিক নাট্যদলের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশানেরও সেক্রেটারি হিসেবেও নাট্যাঙ্গনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০০৫ সাল থেকে থিয়েটার আর্ট ইউনিট প্রতিবছর একজন তরুণ মেধাবী নাট্যশিল্পী অথবা নাট্যসংগঠনকে প্রণোদনা দিয়ে আসছে। এর আগে এই সম্মাননা গ্রহণ করেন আমিনুর রহমান, সাইদুর রহমান লিপন, শাহাদাত হোসেন, আনোয়ারুল হক, কাজী তৌফিকুল ইসলাম ইমন, ত্রপা মজুমদার, সুদীপ চক্রবর্তী, সামিনা লুৎফা, রামিজ রাজু, বাকার বকুল এবং পাবনা চাটমোহরের সমন্বয় থিয়েটার, মৌলভীবাজার কমলগঞ্জের মণিপুরি থিয়েটার, হবিগঞ্জের প্রতীক থিয়েটার।
