লোকমান কারাগারে জি কে শামীমের দেহরক্ষীরা রিমান্ডে

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৯, ০২:১৯ এএম

মাদক মামলায় মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক লোকমান হোসেন ভুঁইয়াকে তৃতীয় দফায় দুই দিন রিমান্ড শেষে গতকাল রবিবার কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। অন্যদিকে যুবলীগ নেতা পরিচয়ধারী গোলাম কিবরিয়া (জি কে) শামীমের সাত দেহরক্ষীকে অস্ত্র মামলায় আরও

তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর লোকমানকে দুই দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দিয়েছিল আদালত। গতকাল আদালত পুলিশের উপপরিদর্শক ফরিদ মিয়া বলেন, লোকমানের জামিন আবেদন নাকচ করেছে আদালত। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি প্রথম শ্রেণির বন্দির মর্যাদা পেয়েছেন।

অন্যদিকে, গতকাল মানি লন্ডারিং আইনের মামলার চার দিনের রিমান্ড শেষে জি কে শামীমের সাত দেহরক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে অস্ত্র মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে আদালত তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। শামীমের সাত দেহরক্ষী হলেনÑ মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. মুরাদ হোসেন, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন ও মো. আমিনুল ইসলাম।

এদিকে অন্য মামলায় রিমান্ডে থাকায় এ মামলায় গতকাল জি কে শামীমের রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়নি।

গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানের নিকেতন থেকে জি কে শামীমকে সাত দেহরক্ষীসহ আটক করে র‌্যাব। পরদিন অস্ত্র মামলায় সাত আসামির চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। একই দিন অস্ত্র ও মাদক মামলায় পাঁচ দিন করে জি কে শামীমকে ১০ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

লোকমান কারাগারে : গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর মনিপুরিপাড়ার বাসা থেকে লোকমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-২। এ সময় তার বাসা থেকে চার বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় মামলার পর একই দিন তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। পরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় দ্বিতীয় দফায় তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

কলাবাগান ক্লাবের শফিকুল আরও ৩ দিনের রিমান্ডে : হলুদ রঙের ইয়াবাসহ আটক রাজধানীর কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি শফিকুল আলম ফিরোজের আরও তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। গতকাল রবিবার ধানমণ্ডি থানায় করা মাদক মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আবারও ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‌্যাব-২ এর উপপরিদর্শক জসীম উদ্দীন। অন্যদিকে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মাদ নোমান জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর ১০ দিনের রিমান্ড শেষে অস্ত্র মামলায় কৃষক লীগ নেতা শফিকুলের আরও পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর ধানমণ্ডি থানায় করা অস্ত্র ও মাদক আইনের দুই মামলায় তার ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। ওইদিন সকালে র‌্যাব মামলা দুটি করে। ২০  সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে শফিকুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়। সন্ধ্যা  সোয়া ৭টার দিকে কলাবাগান ক্রীড়াচক্র ক্লাবে অভিযান চালায় র‌্যাব। অভিযান শেষে রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক আশিক বিল্লাল জানান, অভিযানের সময় শফিকুলের কাছে সাত প্যাকেট হলুদ রঙের ইয়াবা পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এ ধরনের ইয়াবা পাওয়া যায়নি। এ ইয়াবায়  কোনো গন্ধ নেই। এটা নতুন আবিষ্কার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত