গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে পিটিয়ে আহত করেছে এক বখাটে ও তার পরিবারের সদস্যরা। গত মঙ্গলবার রাতে দহবন্দ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। আহত বাবা মোখলেছুর রহমান সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। বখাটে মাহফুল ইসলাম মুন্নাকে পুলিশ গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।
স্বজনরা দেশ রূপান্তরকে জানান, মারধরের শিকার মোখলেছুর রহমান সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা। তার মেয়ে স্থানীয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ফেইসবুক ও স্কুলে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল জরমনদী গ্রামের চান মিয়ার ছেলে মাহফুল ইসলাম মুন্না। মেয়েটি পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বখাটে মুন্না দহবন্দ ইউনিয়ন পরিষদ লাগোয়া মোখলেছুর রহমানের সরকারি বাসভবনের সামনে এসে ঘোরাফেরা করতে থাকে। তখন মোখলেছুর রহমান বাসা থেকে বেরিয়ে এসে মুন্নার কাছে সেখানে অবস্থানের কারণ জানতে চান। তখন মুন্না
প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে গালাগালিসহ মারমুখী আচরণ করতে থাকে। এ সময় বাগ্বিবিতণ্ড একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। তখন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে দুজনকেই থানায় নিয়ে যায়। পরে ঘটনার বিস্তারিত শুনে পুলিশ মোখলেছুরকে ছেড়ে দেয়। তিনি বাসায় ফেরার পথে মুন্নার পরিবারের সদস্যরা হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। পরে আশপাশের লোকজন মোখলেছুরকে উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি এস এম আবদুস সোবাহান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ ঘটনায় মোখলেছুর রহমান বাদী হয়ে মুন্নাসহ ছয়জনকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। মুন্নাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
