জাফলং ভ্যালি বোর্ডিং স্কুলের বর্ষপূর্তি

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ০৬:৪৩ পিএম

বিদেশমুখী শিক্ষার্থীদের দেশেই উন্নত শিক্ষার সুযোগ দিয়ে ধরে রাখতে বাংলাদেশের সিলেটে 'জাফলং ভ্যালি বোর্ডিং স্কুল' নামে একটি আবাসিক স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এক বছর আগে মেঘালয় পর্বতমালার সান্নিধ্যে সিলেটের জৈন্তা উপজেলায় শ্রীপুরে স্কুলটির কার্যক্রম শুরু হয়। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার লেকশোর হোটেলে এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এবং সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ আহমেদ মজুমদার।

এতে সভাপতিত্ব করেন হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ. কে. আজাদ।

প্রতিষ্ঠানের ছাত্রদের মনোজ্ঞ রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটি অধ্যক্ষা বিরাজ কিশোর ভরদ্বাজ। 

এ ছাড়া তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এরপর ভিডিও চিত্রের মাধ্যমে স্কুলটির শিক্ষার মানসহ সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরা হয়। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হাফিজ আহমেদ মজুমদার বলেন, আমি বিশ্বাস করি পাঁচ বছরের মধ্যে স্কুলটি সুনাম কুড়াবে। এ স্কুল থেকে এমন শিক্ষার্থীদের বের করতে চাই যারা ভবিষ্যতে দেশকে ও পৃথিবীকে নেতৃত্ব দেবে। আমি বিশ্বাস করি বোর্ডিং স্কুল নেতৃত্ব সৃষ্টির উৎকৃষ্ট স্থান হবে।

হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একে আজাদ বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর অনেক শিক্ষার্থী মালয়েশিয়া-ভারতের স্কুলে পড়তে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা যাতে বিদেশমুখী

হতে না হয়, এ জন্য আন্তর্জাতিক মানের এ স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা কমিটির সদস্য ও ওপেক্স গ্রুপের এমডি এআর সিনহা বলেন, আগামীতে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দক্ষ জনশক্তি দরকার। এ প্রতিষ্ঠান সেই দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন প্যারাগন গ্রুপের এমডি মশিউর রহমান, নিট এশিয়ার এমডি মতিন চৌধুরী, শারমিন গ্রুপের এমডি ইসমাইল হুসাইন, মাহিন গ্রুপ অব কোম্পানিজের এমডি আবদুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অভিভাবকরা জাফলং ভ্যালি বোর্ডিং সম্পর্কে তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও মতামত তুলে ধরেন।

আলোচনা সভা শেষে প্রতিষ্ঠানটির প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা হয়। এরপর এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।

জমকালো এ আয়োজনে স্কুলটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পরিচালনা কমিটির সদস্য, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় ১০০০ ছাত্রের ধারণক্ষমতার আবাসিক সুবিধাসহ স্কুলটিতে ১২০ শিক্ষার্থী এবং তিন ভারতীয় শিক্ষকসহ মোট ২১ অধ্যাপক রয়েছেন।

থাকা, খাওয়া এবং চিকিৎসা সুবিধাসহ সম্পূর্ণ আবাসিক স্কুলটিতে একজন ছাত্রকে সব খরচ বাবদ মাসিক ২৫ হাজার টাকা দিতে হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত