সৌদি আরবের মদিনার কাছে বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি রয়েছেন বলে আশঙ্কা করছে দেশটির বাংলাদেশ মিশন। জেদ্দা মিশনে কনসাল জেনারেল এফ এম বোরহানউদ্দিনের বরাত দিয়ে বিডিনিউজের এক খবরে বলা হয়েছে, বাসে আগুন লেগে লাশগুলো এতটা পুড়ে গেছে যে চেনার উপায় নেই। তবে যাত্রার শুরুতে বাসে ১৩ জন বাংলাদেশি ছিলেন।
কনসাল জেনারেল বোরহানউদ্দিন জানান, তাদের প্রাথমিক ধারণা নিহতদের মধ্যে সাতজনের মতো বাংলাদেশি থাকতে পারেন। তবে ডিএনএ পরীক্ষার আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘ডিএনএ
পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত হতে আমরা সৌদি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। নিশ্চিত হতে পারলে আমরা তখন জানাতে পারব।’
এদিকে দেশের আরও একটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভায়। আবদুল হালিম (৩২) ও দ্বীন ইসলাম (২৮) নামের ওই দুই ব্যক্তির বোন সীমা আক্তারের বরাতে যুগান্তরের খবরে বলা হয়েছে, ওই দুর্ঘটনায় তাদের আরেক ভাই ইসলাম উদ্দিনও (২৫) আহত হয়েছেন। তিনি মদিনার একটি হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ইসলাম উদ্দিনই ফোন করে পরিবারকে দুই ভাইয়ের মৃত্যুর খবর দেন।
গত বুধবার সন্ধ্যায় মদিনা থেকে ১৭০ কিলোমিটার দূরে মারকাজ আল-আখাল এলাকায় ওই দুর্ঘটনায় ৩৫ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন চারজন।
দুর্ঘটনায় পড়া দার আল-মিকাত ওমরাহ নামের হজ এজেন্সির ওই বাসে ১১ পাকিস্তানি, ১৩ ভারতীয়, ৯ বাংলাদেশি, ৫ ইয়েমেনি ছিলেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে।
জেদ্দার বাংলাদেশ মিশন অফিস বলছে, বাসযাত্রার শুরুতে ওই দলে ১৩ বাংলাদেশি থাকলেও পথে তাদের কয়েকজন নেমে যান।
