চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় ইসলামি ছাত্র শিবির নিয়ন্ত্রিত মেসে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। সেখান থেকে ককটেল ও জিহাদী বইসহ ১৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত বাকলিয়া থানার শান্তিনগর আবাসিক এলাকায় মেসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এ ধরনের মেসে অবস্থান করে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রামে নাশকতা করতো বলে অভিযোগ আছে। সে সময়ও পুলিশ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ‘শিবিরের মেস’ হিসেবে পরিচিত আস্তানাগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে অস্ত্র-বিস্ফোরক জব্দ করা হয়েছিল।
বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, ভোলার ঘটনা নিয়ে চট্টগ্রামে ছাত্রশিবির বড় ধরনের নাশকতা, ভাঙচুর করে নগরীতে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে, এমন তথ্য আমাদের কাছে ছিল।
সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালাতে গেলে শান্তিনগর এলাকার জিএস ভবনের নিচে জড়ো হওয়া কর্মীরা পালানোর চেষ্টা করে। সেখান থেকে কয়েকজনকে আটকের পর ওই ভবনের মেস থেকে ২২ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে যাচাই বাছাই করে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, জিএস ভবনের চতুর্থতলা থেকে ষষ্ঠতলায় অভিযান চালিয়ে তিনটি কক্ষ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৪টি ককটেল এবং বিপুল পরিমাণ জিহাদী বই।
পুলিশ জানায়, শিবির নিয়ন্ত্রিত জিএস ভবনে ওই মেস থেকে সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ শাখা ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি মেজবাহ উদ্দিন হাবিব, দারুল উলুম মাদ্রাসার সেক্রেটারি রাকিবুল হাসান ও দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড শিবিরের সভাপতি আশরাফুল আলম রয়েছেন।
