শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে (৮) ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান আসামিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সন্ধ্যায় আন্ধারুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতেই পাঁচজনের বিরুদ্ধে শিশুর বাবা মাসুদ মিয়া বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি আজিজুলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- প্রধান আসামি আজিজুল (১৯), আজিজুলের বাবা আলম মিয়া (৪০), মা আছমা বেগম (৩০), মামা দুলাল মিয়া (৪০), চাচা নুরুল হক (৪০)।
শনিবার শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মেয়ের বাবা জানায়, নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী পোড়াগাঁও ইউনিয়নের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী পাশের গ্রামের মামার আন্ধারুপাড়া গ্রামের বাড়িতে বৃহস্পতিবার বেড়াতে যায়।
শুক্রবার সন্ধ্যায় মেয়েটি একা নিজের বাড়িতে আসছিল। এসময় ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. আলমের ছেলে আজিজুল হক (১৯) শিশুটির পথরোধ করে। পরে মেয়েটিকে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে।
শিশুটি বাড়ি গিয়ে তার মাকে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। এসময় মেয়েটির প্রচুর রক্তপাত হয়। দ্রুত মেয়ের পরিবার রাতেই চিকিৎসার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে গিয়ে মেয়েকে ভর্তি করান।
এদিকে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে নালিতাবাড়ী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে আজিজুলহকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন শিশুর বাবা।
ধর্ষণের পর থেকে আজিজুল বাড়ি থেকে অন্যত্র পালিয়ে গেলেও শনিবার সন্ধ্যায় পুলিশ গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আজিজুলকে গ্রেপ্তার করেছেন।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত চারজন আসামি থানা হাজতে আছে। প্রধান আসামি আজিজুলকে শনিবার সন্ধ্যায় গাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে নালিতাবাড়ী থানায় আনা হচ্ছে।
