হাইল হাওরে বিলুপ্ত হচ্ছে দেশীয় প্রজাতির মাছ

আপডেট : ০২ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৫৩ এএম

একসময়ের মৎস্যভাণ্ডারখ্যাত শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওরে বিলুপ্ত হচ্ছে দেশি প্রজাতির বিভিন্ন মাছ। প্লাবন ভূমি বাঁধ দিয়ে ফিশারি নির্মাণ, অবৈধ কারেন্টজাল ব্যবহার, ডিমওয়ালা মাছ নিধন, চাষযোগ্য কৃষিজমি ও পাহাড়ি এলাকায় লেবু, আনারসবাগানে কীটনাশক ব্যবহার, হাওরের নাব্য হ্রাস ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের কারণে এ পরিণতি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, হাইল হাওরে বিলুপ্ত মাছের মধ্যে রয়েছে বাঁচা, ঘারুয়া, ছেপচালা, বাগাড়, ঢেলা, রিটা, বাঁশপাতা, রানী, নাফতানি, নাপতে, বামোশ, বড় বাইম, তিতপুঁটি, নামা চান্দা, একথুটি, চাকা, শ্বেত সিংগি, শ্বেত মাগুর মাছ। বিলুপ্তপ্রায় মাছের তালিকায় রয়েছে পাবদা, আইড়, ভেদা, মিনি, ফলি, গজার, গোলসা, দাড়কিনি, চিতল, টাটকিনি ও তারা বাইন। আর এখন পাওয়া যায় কই, কাতলা, শিং, মাগুর, ঘনিয়া, বোয়াল, বইচা, ছোট চিংড়ি, কালবাউশ, গ্রসিকার্প, খলিসা, গুতুম ও বেলে।

হাইল হাওরে দীর্ঘ ১৫ বছর মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন মৎস্যজীবী সামাদ মিয়া। তিনি বলেন, ‘হাওর দখল হয়ে যাচ্ছে। এতে হাজার হাজার মৎস্যজীবী বেকার হয়ে যাবে।’ স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সংগঠন বড় গাঙিনা সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সম্পাদক মিনত আলী বলেন, ‘দখলসহ বিভিন্ন কারণে হাইল হাওর জীববৈচিত্র্য হারাচ্ছে। প্রতিবছর দুই সেন্টিমিটার করে হাইল হাওরের তলদেশে বালু ভরাট হচ্ছে। মাটি ভরাট করে অনেকে বসতবাড়িও বানাচ্ছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত