কিডনি প্রতিস্থাপন আইন সংস্কার চান ডা. জাফরুল্লাহ

আপডেট : ২১ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৪৬ এএম

দেশের বিদ্যমান মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন ত্রুটিপূর্ণ ও সংকীর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেছেন, ‘২০১৮ সালে আইন সংশোধন করা হলেও কিডনি প্রতিস্থাপন বিষয়ে সুরাহা করা হয়নি। সুস্থ-সবল যেকোনো মানুষ একটি কিডনি দান বা বিক্রি করার অধিকার রাখেন। তাকে এ সুযোগ দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে আইন সংস্কার করা প্রয়োজন।’

বুধবার ধানমণ্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাফরুল্লাহ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশে প্রতি বছর ১০ হাজার মানুষের কিডনি পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়। এতে খরচ হবে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। অথচ কিডনি প্রতিস্থাপনের বিকল্প হিসেবে ডায়ালাইসিস ব্যয় প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকার বেশি। প্রতিস্থাপনের এক বছর পর্যন্ত প্রতি মাসে ২ হাজার টাকার ওষুধ লাগে। একই ওষুধ ১৯৮২ সালের ওষুধ নীতি বাস্তবায়ন করলে মাত্র ৫০০ টাকা লাগবে।’

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ‘আইনের ভয়ে রোগীরা কিডনি দানকারীকে মিথ্যা নিকটাত্মীয় বানান। বছরে প্রায় দেড় হাজার রোগী ভারত ও শ্রীলঙ্কায় গিয়ে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে কিডনি প্রতিস্থাপন করেন।’

 তিনি আরও বলেন, ‘আগামী বছর থেকে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপন প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এতে গরিবদের দেড় লাখ এবং ধনীদের আড়াই লাখ টাকা খরচ হবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত