গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা

৯৪ শতাংশ কর্মজীবী নারী গণপরিবহনে হয়রানির শিকার

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৯, ১২:২১ এএম

দেশের অন্তত ৩০ শতাংশ নারী কর্মের প্রয়োজনে গণপরিবহনে যাতায়াত করেন। যার ৯৪ শতাংশই পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে নানাভাবে হয়রানির শিকার হন বলে জানিয়েছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের জেন্ডার অ্যান্ড জাস্টিস ডাইভার্সিটি প্রোগ্রামের জেন্ডার বিশেষজ্ঞ হোসনে আরা বেগম। গতকাল শনিবার রাজধানীর পিআইবিতে ‘গণপরিবহনে নারীর নিরাপত্তা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব জানান। রোড সেফটি ফাউন্ডেশন নামে একটি সংগঠন এ বৈঠকের আয়োজন করে।

হোসনে আরা বলেন, ‘শুধু গণপরিবহন নয়, নারীর চলাচলের সবদিক নিয়েই ভাবতে হবে। আমরা গণপরিবহনে নারীর নিরাপত্তার কথা বলছি, একই সঙ্গে রাস্তায় তাদের সম্মান দেওয়ার কথা। আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, নারীদের এ হয়রানিতে যুবকদের থেকে প্রাপ্ত বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। আর পরিবহনে হয়রানির পর শুধু কয়েকটি সংগঠন বা কয়েকজন নারীই প্রতিবাদ করেন।’

সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সভাপতি রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, ‘গণপরিবহন হলো সেবা খাত। কিন্তু এখন বাণিজ্যিক হয়েছে। গণপরিবহনে নারীদের মা-বোন ভাবার ধারণা থেকে বেরিয়ে যাত্রী হিসেবে ভাবতে হবে।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইক্লোজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জোবেদা খাতুন বলেন, ‘আমরা শ্রদ্ধাবোধ, ভালোবাসা ভুলে গিয়ে আত্মকেন্দ্রিক হয়ে উঠছি। আর পরিবহনে ড্রাইভার-হেলপারদের মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাপারটা ভয়াবহ। প্রায় প্রতিদিন ড্রাগ নেওয়ার ফলে তাদের একটা সমস্যা থেকেই যায়, যেখান থেকে তারা স্বাভাবিক আচরণ করতে পারেন না।’ ব্র্যাকের রোড সেফটি প্রোগ্রামের প্রধান ডা. কামরান উল বাসেত বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে ঠিকই; কিন্তু মানসিক উন্নয়ন হয়নি।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত