খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সেনা ও শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০১৯, ১২:৫৬ এএম

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের পক্ষ থেকে সোমবার ঢাকা সেনানিবাসের ‘আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে’ মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সদস্য সংবর্ধনা ও পদক দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ২০১৮-১৯ সালের শািন্তকালীন পদকপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদেরও পদক দেওয়া হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ৩ জন বীরশ্রেষ্ঠের নিকটাত্মীয়, ৫ জন বীর উত্তম, ১২ জন বীর বিক্রম ও ৩০ জন বীরপ্রতীক এবং ২৫ জন অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাসহ মোট ৭৫ জন সেনাসদস্যকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ২০১৮-১৯ সালে শািন্তকালীন বিভিন্ন প্রশংসনীয় ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৬ জন ‘অসামান্য সেবা পদক’ এবং ১৭ জন ‘বিশিষ্ট সেবা পদক’ (বিএসপি) প্রাপ্ত সেনাসদস্যকে সেনাবাহিনী প্রধান কর্তৃক পদকে ভূষিত করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন বীরত্বগাথা এবং শািন্তকালীন পদকপ্রাপ্তদের প্রশংসনীয় কর্মকাণ্ডের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়। সেনাবাহিনী প্রধান খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্য, তাদের নিকটাত্মীয় এবং শািন্তকালীন পদকপ্রাপ্তদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় ও তাদের শুভেচ্ছা উপহার দেন।

অনুষ্ঠানে সেনা সদরসহ ঢাকায় কর্মরত ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেনা সদরের পক্ষ থেকে প্রতি বছরই জাতির গর্ব বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে এ ধরনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়া বড় দুটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা হবে। এরই অংশ হিসেবে সেনানিবাসে খুঁটি তৈরির কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ২৮৭ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণের জন্য সরকার অনুমোদন দিয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত