এসএ গেমস বিষয়ে ক্রীড়া সাংবাদিক মোরসালিন আহমেদ রচিত ‘দক্ষিণ এশীয় গেমসে বাংলাদেশ’ নামের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হয়েছে বৃহস্পতিবার। এদিন এনএসসি (জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ) টাওয়ারে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন।
১৯৮৪ থেকে ২০১৬; মোট ১২টি এসএ গেমসের কিছুই বাদ যায়নি তথ্যবহুল এ বইটিতে। যা দেশীয় ক্রীড়াঙ্গনে এসএ গেমসের একটি দলিল হিসেবে পরিগণিত হবে। বইটিতে রয়েছে গেমসটির ইতিহাস ‘সাফ থেকে এসএ গেমস’, অর্জিত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে বিশেষ প্রতিবেদন ‘প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’, ডিসিপ্লিন ওয়ারী বিশ্লেষণমূলক প্রবন্ধ ‘ময়দানি লড়াই’, প্রতিটি আসরের ওপর তথ্যমূলক রিপোর্ট, ৬৭টি স্বর্ণজয়ী ক্রীড়াবিদসহ দুর্লভ ছবি এবং তারকা ক্রীড়াবিদদের সাফল্য অর্জনের পেছনের গল্প।
এ ছাড়া অর্জিত সাফল্যের পরিসংখ্যানে রয়েছে শুটিং, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস, বক্সিং, কারাতে, তায়কোয়ান্দো, ফুটবল, ভারোত্তলন, গলফ, উশু, ক্রিকেট, আরচারি, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল, সাইক্লিং, হ্যান্ডবল, হকি, জুডো, কাবাডি, খো খো, স্কোয়াশ, টেবিল টেনিস, টেনিস, ভলিবল ও কুস্তি ডিসিপ্লিনে পদকজয়ী ক্রীড়াবিদের পারফরম্যান্সের তথ্য।
প্রতিটি ডিসিপ্লিন ওয়ারী পদক তালিকাও রয়েছে বইটিতে। ঝকঝকে মলাটে মোট ১৬৮ পৃষ্ঠার গ্লুবাইন্ডিং বইয়ে রয়েছে বাংলাদেশের হয়ে ৬৭টি স্বর্ণসহ মোট ৬৪৯টি পদকজয়ীদের নাম ও নানা তথ্য। বইটির মূল্য পাঁচশত টাকা।
বইটির মোড়ক উন্মোচনের পর ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য। যা দেশীয় ক্রীড়াঙ্গনের তথ্য-ভান্ডার সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবে।
মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. আখতার হোসেন এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব মো. মাসুদ করিম।
