গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য আইনি সুরক্ষার ব্যবস্থা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গত শুক্রবার রাত ১১টায় চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ের একটি কনভেনশন সেন্টারে টিভি ক্যামেরা
জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (টিসিজেএ) চট্টগ্রামের যুগপূর্তি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৬ সালের আইনে সাংবাদিকদের ‘শ্রমিক’ বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে আইন সংশোধন হচ্ছে। সংশোধনীতে শ্রমিকের পরিবর্তে ‘সংবাদকর্মী’ শব্দটি সংযোজন করা হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। এ সংশোধনীর পর মালিকপক্ষ চাইলেও সাংবাদিকদের যখন তখন ছাঁটাই করতে পারবে না। সাংবাদিকরা তখন আইনি সুরক্ষা পাবেন।
তিনি বলেন, চ্যানেলের ক্রমবিন্যাস ঠিক রাখাসহ বাংলাদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন বিদেশে প্রচার বন্ধ করা হয়েছে। সম্প্রচার মাধ্যম ডিজিটালাইজড করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব টেলিভিশিন পে-চ্যানেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
হাছান মাহমুদ আরও বলেন, ভবিষ্যতে টেলিভিশন চ্যানেল ঢাকাকেন্দ্রিক থাকবে না। এই মাস থেকেই বাংলাদেশ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম কেন্দ্র ১২ ঘণ্টা সম্প্রচারে যাবে। এছাড়া আগামী তিন মাসের মধ্যে টেরিস্ট্রিয়াল চ্যানেল হিসেবে পূর্ণাঙ্গ টিভি কেন্দ্রের মতো সারা দেশে সম্প্রচারিত হবে।
টিসিজেএর সভাপতি শফিক আহমেদ সাজিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিটি মেয়র আজম নাছির উদ্দিন, বিএফইউজের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দিন শ্যামল এবং সাধারণ সম্পাদক হাসান ফেরদৌস প্রমুখ।
এর আগে টিভি রিপোর্টিং ও ডকুমেন্টারি ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিন সদস্যের বিচারকমণ্ডলীর প্রধান দৈনিক দেশ রূপান্তরের বিশেষ প্রতিনিধি ও ব্যুরো প্রধান ফারুক ইকবাল অনুষ্ঠানে সেরা তথ্যচিত্র ও বিশেষ রিপোর্টিংয়ে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।
পুরস্কার বিজয়ীরা হলের প্রথম চ্যানেল ২৪-এর সাবেক রিপোর্টার আকরাম হোসেন, দ্বিতীয় যৌথভাবে ফখরুল ইসলাম (চ্যানেল ২৪) ও শোয়েব উদ্দিন (যমুনা টিভি), তৃতীয় প্রণবেশ চক্রবর্ত্তী (৭১ টিভি)। ক্যামেরাপারসনÑ সেলিম, আবু জাহেদ, দীপংকর দাশ ও বাবুন পাল। ডকুমেন্টারিতে এনামুল হক, সেলিম উল্লাহ, অমিত দাশ ও সঞ্জীব দে।
