ছুটির দিনেও বিআইডাব্লিউটির বুড়িগঙ্গা দখল মুক্ত করার পরে এবার দূষণ মুক্ত করার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ৫০ কার্য দিবসের এই অভিযানে বুড়িগঙ্গা দুই তীরের প্রায় সাড়ে চার হাজার স্থাপনা ভেঙে দেয় বিআইডাব্লিউটিএ।
সারা দেশের মানুষ যখন ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের ছুটি পালন করছে, বিআইডাব্লিউটির কর্মকর্তারা ছুটিতে না গিয়ে নদীকে দূষণ মুক্ত করার সংগ্রামে ব্যস্ত সময় পার করছে। চলতি বছর ২৯ জানুয়ারি থেকে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদীর দুই পার দখল মুক্ত করতে অভিযান শুরু করে বিআইডাব্লিউটিএ।
গতকাল কেরানীগঞ্জের তেলঘাট সংলগ্ন আলম মার্কেট যেখানে ময়লা অপসারণ কার্যক্রম শেষ হয়েছিল রবিবার ওই স্থান থেকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করা হয়।
এ বিষয়ে বিআইডাব্লিউটির যুগ্ম পরিচালক (ঢাকা বন্দর) এ কে এম আরিফ উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে নদী হচ্ছে আমাদের লাইফ লাইন, নদী যদি মরে যায়, তা হলে বাংলাদেশও মরে যাবে। পরিবেশগত ভাবে বাংলাদেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। স্বাধীনতার দিনে দেখানো উদ্যাপনের চেয়ে দেশের জন্য কাজ করাটা আমার জন্য বেশি আনন্দের। নদী আমাদের মায়ের মতো, নদীর বুক থেকে আবর্জনা তুলে নদীকে বর্জ্য মুক্ত করে আমি আনন্দ খুঁজে পাই।
