যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স বিমান আর নতুন করে তৈরি করবে না প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটি। জানুয়ারি থেকে সাময়িকভাবে এর নির্মাণকাজ বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এই বিমানের ভয়াবহ দুটি দুর্ঘটনার পর গত ৯ মাস বিশ্বজুড়ে মডেলটির সাড়ে তিনশোর বেশি বিমানের উড্ডয়ন বন্ধ ছিল। কিন্তু তারপরও নতুন বিমান তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল কোম্পানিটি।
গত অক্টোবর মাসে বিধ্বস্ত হয় ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ারের বিমান, আর তার মাত্র পাঁচ মাস পরেই ইথিওপিয়ার বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুটিই ছিল বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন ম্যাক্স এইট বিমান। এতে ৩০০’র বেশি মানুষ মারা যায়।
ওই সময় বিশেষজ্ঞরা জানান, বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন ম্যাক্সে বসানো ‘অ্যান্টি-স্টলিং সিস্টেম’ প্রযুক্তিতে ত্রুটি ছিল। ইন্দোনেশিয়ার লায়ন এয়ারের বিমানটির দুর্ঘটনার জন্য এই প্রযুক্তিকেই দায়ী করা হয়।
চলতি বছরের শেষ দিকে আবার এই বিমান আকাশে ওড়ানোর পরিকল্পনা ছিল বোয়িংয়ের। কিন্তু মার্কিন প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, আকাশে ওড়ার ছাড়পত্র তাদের তাড়াতাড়ি দেওয়া হবে না।
ওয়াশিংটন ভিত্তিক এই কোম্পানিটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানিকারক। তারা বিবৃতিতে জানিয়েছে, ৭৩৭ ম্যাক্সের নির্মাণকাজ বন্ধ করলেও কর্মীদের ছাটাই করা হবে না। কিন্তু বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্মাণকাজ বন্ধ হওয়ার কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে।
