মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে ছিলেন মির্জা ফখরুলের বাবা: বিএনপি

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:১২ পিএম

একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এপ্রিল মাসে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা মির্জা রুহুল আমিন ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর সীমান্ত দিয়ে ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের ইসলামপুরে প্রবেশ করে সেখানে অবস্থান করেন বলে দাবি করেছে দলটি।

বিএনপি বলছে, ফলে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাজ করা বা রাজাকারের তালিকায় নাম লেখানোর কোনো সুযোগই তার ছিল না। সেই কারণে তার নাম কোনো তালিকাতেই নেই।

বৃহস্পতিবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর বয়স ছিল এক বছর। তিনি মির্জা রুহুল আমিনকে নিয়ে যে বক্তব্য রেখেছেন তা দুরভিসন্ধিমূলক।

রিজভী বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী এই ধরনের মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন, যার সঙ্গে সত্যের কোনো সম্পর্ক নেই।

গত বুধবার দিনাজপুরে এক সভায় নৌ-প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন বলেই রাজাকারদের তালিকা প্রকাশ করে বিএনপিকে হেনস্তার কথা বলছেন তিনি।’

তার ওই বক্তব্যকে ‘প্রতিহিংসামূলক ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত’ মন্তব্য করে বিবৃতিতে রিজভী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বাবা মির্জা রুহুল আমিন ঠাকুরগাঁওয়ের একজন সৎ ত্যাগী অত্যন্ত জনপ্রিয় নেতা ছিলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তার আত্মীয়-স্বজনরা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন। তার চাচা অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার এস আর মির্জা প্রবাসী সরকারের মুক্তিযোদ্ধা রিক্রুটমেন্ট বিভাগের পরিচালক ছিলেন। আরেক চাচা বাবলু মির্জা এবং তার ভগ্নিপতি ড. আবুল কালাম প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মির্জা ফখরুল ইসলামের বড় মামা আবু জাহেদ ইবনে ইউসুফ দিনাজপুর জেলা স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত