কিশোরগঞ্জের ভৈরবে প্রতিপক্ষের হামলায় দুলাল মিয়া (৪৮) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এতে আরও চারজন আহত হয়েছেন।
শনিবার সকালে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের শ্রীনগর গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় চোখে টেঁটাবিদ্ধ হন দুলাল মিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
নিহত দুলাল মিয়া উপজেলার শিমূলকান্দি ইউনিয়নের নাথপাড়া গ্রামের মো. তাইজ উদ্দিনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন ভ্যানচালক ছিলেন।
এছাড়া আহতদের মধ্যে মিলন মিয়া নামের একজনকে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে এবং আঙ্গুর মিয়া, জামাল মিয়া ও সাগর মিয়া নামে তিনজনকে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ভৈরব থানার ওসি (তদন্ত) মো. বাহালুল খান বাহার জানান, নিহতের পরিবারকে সকল প্রকার আইনি সহায়তা দেবে পুলিশ। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত সপ্তাহের শনিবার সিএনজি অটোরিকশার সিরিয়াল দেয়াকে কেন্দ্র করে অটোরিকশা চালক রুবেল মিয়া ও শিমূলকান্দি গ্রামের নাথপাড়া এলাকার অপর চালক ফুল মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার ফুল মিয়ার লোকজন প্রতিপক্ষ রুবেল মিয়াকে মারধর করে।
এ ঘটনায় আজ শনিবার সকালে রুবেলের বাবা মিলন মিয়া, চাচা আঙ্গুর মিয়াসহ স্বজনরা ফুল মিয়ার বাড়িতে বিচার চাইতে যায়। এ সময় ফুল মিয়ার বাড়ির লোকজন তাদেরকে মারধর করছে- এমন খবর রুবেলদের বাড়িতে পৌঁছালে তাদের স্বজনরা ফুল মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়।
এ সময় উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ফুল মিয়ার ভাই দুলাল মিয়াসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৫ জন আহত হয়। পরে দুলাল মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তিনি বিকেলে সেখানে মারা যান।
