ভালো দাম এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কয়েক বছর ধরে রাজশাহীতে পান চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা। বিভিন্ন স্থানে চলছে এখন পানবরজ তৈরির কাজ। চাষিরা বলছেন, মড়ক না হলে অন্যান্য ফসলের চেয়ে পান চাষে লাভ বেশি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ৭-৮ বছরে পানের আবাদি জমির পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৩০.৫ হেক্টর। জেলার ছয় উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৮২১ হেক্টর (১৩ হাজার ৬৬০ বিঘা) জমিতে পানের আবাদ রয়েছে। এর মধ্যে পবায় ৭৯৩ বিঘা, মোহনপুরে ৪৫০০ বিঘা, বাগমারায় ৪ ৪৬৫০ বিঘা, দুর্গাপুরে ৩৮৪০ বিঘা, পুঠিয়ায় ২৭০ বিঘা এবং চারঘাটে ৩ বিঘা জমিতে পানের বরজ আছে। এসব জমি থেকে চলতি বছর পান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৯৫৪ মেট্রিক টন। জেলায় প্রায় ২৫ হাজার ৫০০ পানবরজ আছে। পানের আবাদের ওপর ভিত্তি করে জেলায় বেশ কয়েকটি পানহাট গড়ে উঠেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাগমারার মোহনগঞ্জ, তাহেরপুর, মছমইল, একডালা, পবা উপজেলার তেকাঠাপাড়া, নওহাটা, দুর্গাপুর উপজেলার দাওকান্দি, কালিগঞ্জ পানহাট।
মোহনপুর উপজেলার পানচাষি মাহবুব আলম ও সাইবত আলী বলেন, ‘মড়ক না হলে অন্যান্য কৃষি ফসলের তুলনায় পান চাষে লাভের পরিমাণ অনেক বেশি। ১০ কাঠা পানের জমি থেকে বছরে পান বিক্রি করে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা লাভ করা যায়।
