ফাতেমা বেগম ‘হত্যার’ বিচার চেয়ে তার লাশ পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পরিবারের সদস্যরা। সোমবার দুপুর ১২টায় হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী পিত্তিফাটা গ্রামে নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন তারা।
লিখিত বক্তব্যে ফাতেমার বড়ভাই মতিউর রহমান বলেন, ১৩ বছর আগে পাটগ্রাম উপজেলার ইঞ্জিনপাড়ার কবেদ আলীর ছেলে আবদুল রাজ্জাকের সঙ্গে বিয়ে হয় ফাতেমার।
২০১৮ সালের ১১ নভেম্বর স্বামী বাড়িতে না থাকায় ফাতেমাকে দুই দেবর ও শ্বশুর মিলে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে এক কিলোমিটার দূরে শ্মশানঘাট নামক স্থানে পরনের শাড়ি দিয়ে গাছে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করে। এ ঘটনায় বাবা হত্যা মামলা করতে চাইলে পাটগ্রাম থানা পুলিশ নেয়নি। পরে লালমনিরহাট আদালতের নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালে স্বামী, দুই দেবরসহ আটজনকে আসামি করে একটি হত্যা ও যৌতুকের মামলা করেন বাবা।
তিনি বলেন, ‘ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ফাতেমা আত্মহত্যা করেছে বলে উল্লেখ করা হয়। রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করলে আদালত রংপুর পিবিআইকে তদন্তভার দেয়। পিবিআইও সাক্ষীদের কথা না শুনে আত্মহত্যা করেছে বলে লিখিত দেয়। মামলাটি বর্তমানে হাইকোর্টে চলমান।’
