বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক উৎসবের পঞ্চম দিনে গতকাল রাত ৮টায় মঞ্চায়িত হয়েছে লোকনাট্য 'গুনাই বিবির পালা'। এ ছাড়া রাজবাড়ি, বগুড়া ও মৌলভীবাজার জেলার শিল্পীরা অংশ নেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায়। প্রতি দিনের মতোই একাডেমির নন্দন মঞ্চে বিকেল ৪ টা থেকে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। পরে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় অ্যাক্রোবেটিক প্রদর্শনী, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের পরিবেশনায় বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন হিসাম, শুপ্ত, তৌসিফ, জাবের, সাফিন ও স্বর্ণালি। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পী লায়লা আফরোজ। পাশাপাশি ‘পিন্দারে পলাশের বন এবং নাও ছাড়িয়া দে’ গানের সঙ্গে আনিসুল ইসলাম হিরুর পরিচালনায় ২টি সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে সৃষ্টি কালচারাল একাডেমির শিল্পীরা।
এরপর শুরু হয় তিন জেলার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।রাজবাড়ি জেলার পরিবেশন করে দলীয় নৃত্য, সমবেত সংগীত এবং একক সংগীত। তাদের পরিবেশনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল যন্ত্রসংগীত। পরে বগুড়া ও মৌলভীবাজার জেলার শিল্পীরাও একক সংগীত, দলীয় সংগীত, দলীয় নৃত্যের পাশাপাশি যন্ত্রসংগীত পরিবেশন করেন।
একাডেমি প্রাঙ্গণে রাত ৮ টায় দর্শনীর বিনিময়ে আব্দুল মাজেক প্রামাণিক ও মো: নাজমুল হোসেনের নির্দেশনায় ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য ‘গুনাই বিবির পালা’ মঞ্চস্থ হয়। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন সামাদ, হাবিবুর শেখ, মোজাফফর, মুন্নি, নাজিম হোসেন, আকিজ শেখ, নায়েব আলী, রোকেয়া, মুক্তা, আব্দুল মাজেদ প্রামাণিক। যন্ত্রে সহযোগিতা করেছেন কি-বোর্ড-আতালেব শেখ, ঢুলি-মানিক, বাঁশি- মো. পলাশ, জুরি-কামরুল ও প্যাড-লাবলু।
